<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সাপ্তাহিক ২০০০</title>
	<atom:link href="http://www.shaptahik-2000.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.shaptahik-2000.com</link>
	<description>এক মলাটে পুরো সপ্তাহ</description>
	<lastBuildDate>Sat, 04 Sep 2010 06:09:44 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.0.1</generator>
		<item>
		<title></title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4954/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=4954</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4954/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 06:03:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাসের চিঠি]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[সাক্ষাৎকার]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4954</guid>
		<description><![CDATA[দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4954/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আড্ডা: ঈদরান্না নিয়ে ২০০০-এর আড্ডা</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%86%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%a6/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%25a1%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a1%25e0%25a6%25be-%25e0%25a6%2588%25e0%25a6%25a6%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25be-%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25bf%25e0%25a7%259f%25e0%25a7%2587-%25e0%25a7%25a8%25e0%25a7%25a6%25e0%25a7%25a6%25e0%25a7%25a6</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%86%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%a6/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:54:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4950</guid>
		<description><![CDATA[ঈদের রান্না নিয়ে ব্যতিক্রমী এক আড্ডার আয়োজন করা হয় সাপ্তাহিক ২০০০-এর কার্যালয়ে। রন্ধনবিষয়ক এ আড্ডায় রান্নার বিভিন্ন দিক, এ শিল্পের উন্নয়ন, রান্নার মান, খাদ্যের পুষ্টিগুণসহ নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন রন্ধনশিল্পী ও পুষ্টিবিদ রাহিমা সুলতানা রীতা, আলীয়া ওহাব, অনুপমা হক স্বাতি, আফরিনা শিপন, রীমা জুলফিকার। এই আড্ডার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বর্ষা গাঙ্গুলী আড্ডার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/DSC_0892_resize.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-4960" title="DSC_0892_resize" src="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/DSC_0892_resize.jpg" alt="" width="301" height="200" /></a></p>
<p>ঈদের রান্না নিয়ে ব্যতিক্রমী এক আড্ডার আয়োজন করা হয় সাপ্তাহিক ২০০০-এর কার্যালয়ে। রন্ধনবিষয়ক এ আড্ডায় রান্নার বিভিন্ন দিক, এ শিল্পের উন্নয়ন, রান্নার মান, খাদ্যের পুষ্টিগুণসহ নানা বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন রন্ধনশিল্পী ও পুষ্টিবিদ রাহিমা সুলতানা রীতা, আলীয়া ওহাব, অনুপমা হক স্বাতি, আফরিনা শিপন, রীমা জুলফিকার। এই আড্ডার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন<br />
করেন বর্ষা গাঙ্গুলী<span id="more-4950"></span></p>
<p>আড্ডার শুরুতেই ওঠে ঈদের রান্নায় ব্যালান্সড খাবারের প্রসঙ্গ। এ ব্যাপারে আড্ডায় অংশ নেওয়া সবাই তাদের নিজস্ব মতামত তুলে ধরেনÑ<br />
আলীয়া ওহাব : ঈদ রান্না নিয়মিত আয়োজনের চেয়ে একটু তো রিচ হবেই! ঈদের দিনে আমি অনেক ধরনের রান্নার আয়োজন করে থাকি। যেহেতু ঈদ তাই ক্যালোরি, কার্বোহাইড্রেট খাবারÑ সবই থাকে। এ খাবারগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব নয়। অতিরিক্ত খাবারের পর ক্লান্তি চলে আসে, তাই আমি অবশ্যই টক দইটার ব্যবহার রাখি। বোরহানি তো অবশ্যই থাকবে। গরুর রেজালায় সিরকার ব্যবহার রাখি। কারণ সিরকা ক্যালোরির ভাগটা কমিয়ে আনে। সালাদও থাকে মেন্যুতে। এতে সবকিছুর সমন্বয়ে খাবারের পুষ্টি ব্যালেন্সটা ঠিক থাকে।<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : ঈদের দিনটা এলে শত চেষ্টাতেও খাবার আইটেম কন্ট্রোল করা যায় না। আমি মনে করি সব রকমের খাবারই থাকবে মেন্যুতে, তবে টকদইয়ের ব্যবহারটাও রাখতে হবে। এটা ডাইজেস্টের জন্য। ঈদের দিনের সকালে জর্দা সেমাই রান্না করা আমাদের একটা ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে। সকালে মিষ্টি খাবারের পাশাপাশি জুস রাখতে পারি। প্রত্যেকেরই পানি খেতে হয়, পাশাপাশি বারবার জুস খেলে পুষ্টিগতমান ঠিক থাকে এবং ডায়েটও হয়। জুসটা সুগারের কাজ দেয়।<br />
অনুপমা হক স্বাতি : আসলে খাবারের মেন্যু নির্ভর করে পারিবারিক পছন্দের ওপর।  কোন  পরিবার  কী খেতে পছন্দ করে তার ওপর মেন্যু তৈরি হয়।  ঈদের দিনটা মিষ্টি দিয়ে শুরু হয় আর শেষ হয় ঝাল দিয়ে। তাই ওইদিন ব্যালান্স রাখা খুবই কঠিন। আমি মনে করি মিষ্টি খাবারের পাশাপাশি ঝাল একটা মেন্যু রাখা দরকার। আমি যেটা করিÑ জর্দা, পুডিং, সেমাই সবই থাকে সঙ্গে নুডলস, চটপটিও রাখি। মিষ্টিমুখ করার পর সবাই ঝালটাই খোঁজে। ঈদ রান্নায় দুপুরের খাবারে ভুনা খিচুড়ির সঙ্গে মুরগি ভুনা মাংস থাকে, চিকেন ফ্রাই করি। তাছাড়া সবার পছন্দের খাবারের দিকটা বিবেচনায় রেখেও রান্না করি।<br />
আফরিনা শিপন : যেহেতু ঈদ রান্নায় ভারী খাবারের গুরুত্বই থাকে বেশি তাই এমনভাবে পরিকল্পনা করে রান্না করতে হবে যেন ঈদের দিনই রান্না শেষ হয়ে যায়। অনেকে রান্না বেশি হলে পরের দিন গরম করে খায়। এটা ঠিক নয়। এতে শারীরিক সমস্যা হতে পারে। কারণ বাসি খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ঈদে খাবারের পরিকল্পনা আমি ১ দিন আগে থেকেই গুছিয়ে রাখি। খুব সহজে রান্না শেষ করে ফেলি। খাবারের তালিকায় সেমাই, নুডলস, চটপটি, জুস, তেহারি, প্লেইন পোলাও ছাড়াও বিভিন্ন খাবার রাখি। এ খাবারগুলোই সকাল, দুপুর, রাতে ভাগ করে নেই।<br />
রীমা জুলফিকার : ঈদের রান্নার পরিকল্পনাটা আগে থেকেই করে থাকি। কারণ ঈদের দিন সব বন্ধ থাকে। আগে থেকেই মেন্যু চিন্তা করে বাজার করে রাখি। সেমাই, জর্দা, পায়েস এগুলো তো থাকবেই, পাশাপাশি ঝাল খাবারÑ পরোটা, গোস্ত, খিচুড়ি এবং জুস, চা, ফলের শরবত রাখি। সেমাই বিভিন্নভাবে রান্না করি। রান্নার প্রস্তুতিটা সেভাবেই নিই, যাতে ঈদের দিনটায় কোনো সমস্যা না হয়। বিকালে গেস্টের জন্য চা নাশতার আয়োজন করে থাকি। রাতে আয়োজন হয় বড় করে। দেখা যায় রাতেই বেশি গেস্ট আসে। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতিটা রাখি।<br />
এরপর ওঠে রান্নায় খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখার বিষয়টি। কিভাবে রান্নায় পুষ্টিগুণ ধরে রাখা যায়Ñ এমন প্রশ্নের জবাবে আড্ডায় অংশ নেওয়া সবাই তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেনÑ<br />
অনুপমা হক স্বাতি : পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে রান্নার উপকরণের পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। বাজার থেকে সবজি এনে ভালো করে ধুয়ে রান্না করতে হবে। সবজি কাটার সময় বড় বড় করে কেটে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে। কখনই চুলার আগুন বাড়িয়ে রান্না করা ঠিক নয়। এতে পুষ্টিগুণ কমে যায়। বাজারের সবজিগুলো যদি ফ্রিজে রাখেন তবে ভালো করে ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে রাখাই ভালো। তাহলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। মুছে না রাখলে ফ্রিজে পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে খুব বেশি।<br />
এ তো গেল সবজির কথা, কিন্তু আমিষের কথা যদি চিন্তা করি তাহলে কী বলব? মাংসে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটে খুব তাড়াতাড়ি। সেক্ষেত্রে আমি যেটা করি গরুর মাংস কিনে এনে না ধুয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রেখে দিই আর মুরগির মাংস ধুয়ে প্যাকেট করে রাখি। রান্নার আগে ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করি। কখনই বেশিক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখি না। কারণ মাংস বেশি সময় ভিজিয়ে রাখলে এর পুষ্টিগুণ চলে যায়। মাংস রান্না করতে অনেক সময় দেরি হয়; সেজন্য হলুদ, মরিচ, লবণ আগেই মাখিয়ে রাখি। বাকি সব মসলা পরে দিয়ে রান্না করি। আগে থেকেই হালকা মেরিনেট করি যাতে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটতে না পারে। মাছের ক্ষেত্রে ছোট মাছ ভালো করে ধুয়ে নিই। বড় মাছে শুধু কানকো ভালো করে খুলে নিয়ে ধুয়ে রাখি। রান্নার সময় শুধু পিস করে রান্না করি। ডিমও কিনে এনে ধুয়ে মুছে ফ্রিজে রেখে দিই।<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : আমরা অনেকে শাক কুচি কুচি করে কাটতে পছন্দ করি। আসলে এটা ঠিক নয়। শাক কাটতে হয় বড় বড় করে এবং রান্না করতে হবে প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য তেল বেশি দিয়ে। আর বাজারের সবজি ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। বাজারের নোংরা অবস্থায় ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ বেশি হয়। সবজি মুছে রাখার চেয়ে ধুয়ে রাখাটাই হবে উত্তম। মাছ-মাংসের ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে প্যাকেট করে রাখতে হবে। প্যাকেট করার আগে ১ ধোয়া দিয়ে প্যাকেট করতে হবে। রান্নার সময় ভালো করে ধুয়ে নিয়ে রান্না করতে হবে।  কারণ  প্যাকেট  করার  আগে  যদি বেশি পানি দিয়ে ধুই তবুও রান্নার সময় আবার ধুতে হবে। এভাবে বার বার ধোয়ার ফলে পুষ্টিগুণ সব চলে যাবে।<br />
আলীয়া ওহাব : রান্নার পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে প্রথমে আমি যেটা করিÑ বাজারের সবজিগুলো ভালো করে ধুয়ে নিই। তারপর কেটে রান্না করি। আগুন বাড়িয়েই রান্না করি, কারণ অনেক সময় দেখা যায় মৃদু আঁচে রান্না করলে রান্নার রং নষ্ট হয়ে যায় আবার পুষ্টিগুণও নষ্ট হয়। সবজি কাটার সময় বড় আকারে কাটি। ছোট করে কাটলে পুষ্টিগুণ ঠিক থাকে না। মোটামুটি চেষ্টা করি পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে। গরুর মাংস রান্নার ক্ষেত্রে মাঝারি সাইজের টুকরো করে নিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। গরু-খাসি যেটাই বলি না কেন একবারের বেশি ধোয়া ঠিক নয়। তাহলে পুষ্টিগুণ কিছুই থাকে না। আর পুষ্টি ধরে রাখতে হলে মাংস ঢেকে রান্না করতে হবে।<br />
আফরিনা শিপন : সবজি রান্নায় আমি সময় বাঁচাতে ধুয়ে কেটে সেদ্ধ করি। সেদ্ধ পানি না ফেলে রান্নার সময় দিয়ে দিই। কারণ সবজির পানিতে ভিটামিন থাকে। পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে সবজি কাটার আগে ধুয়ে নিতে হবে, কাটার পর ধোয়া ঠিক হবে না। রান্নার সময় বিশেষ কিছু নিয়ম আছে সেগুলো জানতে হবে, সবজি কাটারও নিয়ম আছে, সেগুলোও জানতে হবে, এতে খাবারের পুষ্টিগুণ ধরে রাখা যাবে।<br />
রীমা জুলফিকার : অনেকে শাক ভাজা ভাজা করে রান্না করেন। এটা ঠিক নয়। এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। শাক রান্না করতে হয় একটু ভেজা ভেজা করে। তাহলে পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : স্টিম ফুড আমাদের শরীরের জন্য এমনিতেই খুব ভালো। ফ্রিজে খাবার বেশিদিন সংরক্ষণ করে রাখতে নেই। কারণ বেশিদিন সংরক্ষিত জিনিসের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।<br />
এরপর পুষ্টিবিদ ও রন্ধনশিল্পীরা ডায়েটের প্রসঙ্গে আসেনÑ<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : সুস্থ জীবনের জন্য ব্যালান্সড ডায়েটের কোনো বিকল্প নেই। আমি মনে করি এ ব্যাপারে সবারই সচেতন হওয়া উচিত। সিজন একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। সব বয়সেই সিজনাল সবজির প্রয়োজন রয়েছে। আনারস, পেয়ারা বারো মাস পাওয়া যায়, দামেও সস্তা। এগুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। আমরা খাবারের তালিকায় সব ধরনের খাবার রাখব, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে খাব। যেমন : ১ কাপ ভাতের সঙ্গে ১ টুকরো মাংসই যথেষ্ট কিন্তু আমরা কি তা করি। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় প্রত্যেকটা খাবারের সমন্বয় ঠিক রাখতে হবেÑ ভেজিটেবল, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট। তাহলে আমরা সুস্থ থাকতে পারব। ডাইজেস্ট একটা বড় ব্যাপার। অনেক সময় দেখা যায় খাবারের কারণে গ্যাস হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় মেইনটেইন করতে হবে। অনেক সময় আমরা রিচ ফুড খেয়ে ঠা-া কোক খাচ্ছি, এ জিনিসটা আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে। এভাবে অনিয়মিত খাবারের ফলে অল্প বয়সে আমরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। ডায়াবেটিস হচ্ছে, প্রেসারের সমস্যায় ভুগছি। এ ছাড়াও নানান রকমের সমস্যায় ভুগছি। এভাবে আমাদের প্রপার ডায়েট হচ্ছে না।<br />
রীমা জুলফিকার : রিচ ফুড খেয়ে কোক খাওয়া একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এই ফ্যাশন করে আমরা ক্রমেই অসুস্থতার দিকে এগোচ্ছি। তাই আমরা যদি একটু সতর্কতার সঙ্গে খাই তাহলে কোনো সমস্যা হয় না এবং ডায়েট করাটাও সহজ হয়।<br />
আলীয়া ওহাব : আমি মনে করি একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর ডায়েট করাটা খুব জরুরি হয়ে পড়ে। নির্দিষ্ট বয়সের পর চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ খাবার খেয়ে যেমন সুস্থ থাকা যায় আবার সেই খাবারই অসুখ বাড়ায়। আমরা যদি খাবারের তালিকায় ভাত কম রেখে সবজির পরিমাণ বাড়িয়ে দিই তাহলে খাবারের ব্যালান্সটা ঠিক রাখা যাবে।<br />
অনুপমা হক স্বাতি : আমি মনে করি সব খাবারই খাওয়া যায়, তবে পরিমাণে অল্প। না বুঝে আমরা অনেকেই ডায়েট করি, সেক্ষেত্রে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আমি সব খাবারের পরিমাণ ভাগ করে খাই, তবে রাতের খাবার সারাদিনের চেয়ে কম খাই।<br />
ঈদের রান্নায় সতর্কতা সম্পর্কে তারা বলেনÑ<br />
অনুপমা হক স্বাতি : ঈদ রান্নায় সাধারণত  আমরা  তেল-মসলার  ব্যবহারবেশি করে থাকি। এই রান্নায় যদি অল্প তেল-মসলা ব্যবহার করি তাহলে কোনো শারীরিক সমস্যা হবে না বলে আশা করি। আর ঈদ রান্নার আইটেমের সঙ্গে যদি একটা টক আইটেম রাখা যায় তাহলে অন্যরকমের স্বাদ চলে আসে। ঈদে আত্মীয়দের বাসায় ঘুরে বেড়ানো একটা ট্র্যাডিশনাল। চার বাড়ি যদি ঘুরি তবে চার চামচ খাওয়া হয়। এভাবে যদি অল্প করে খাই তাহলেও পরিমাণে অনেক হয়। এটা না করে বরং একজনের বাসায় ডেজার্ট অন্যজনের বাসায় জুসÑ এভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলে সারাদিনের খাবারটা মেকআপ হয়ে যায়। এতে কোনো প্রকারের শারীরিক চাপ আসে না বরং নিজেকে সেভ করা যায়।<br />
আফরিনা শিপন : ডায়েটের কথা মাথায় রেখে ঈদ রান্নাতেও আমি সবজির ব্যবহারটা বেশি রাখি আর বোরহানি তো থাকবেই। মাংসের সঙ্গে সবজির ব্যবহার করি। মেন্যুতে টকের ব্যবহার বেশি রাখি। তেল-মসলা অল্প ব্যবহার করি। সালাদ থাকে, জুস থাকে।<br />
রীমা জুলফিকার : ঈদ রান্না তো ব্যতিক্রম হবেই। আমি মাংসের আলাদা আলাদা পদ করি। সবজির পদগুলোও আলাদাভাবে করি। মাংস ট্র্যাডিশনালভাবেই রান্না করি কিন্তু সবজিটা একটু ডিফারেন্ট করার চেষ্টা করি। আর দুধের তৈরি খাবার তো থাকবেই। তবে ব্যালান্সড ডায়েটের কথা সব সময়ই মাথায় থাকে।<br />
আলীয়া ওহাব : ঈদের পর কিন্তু মানুষ অসুস্থ হয় বেশি। টানা একমাস রোজা রাখার পর অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে এ সমস্যা হয়। তাই সতর্কতার সঙ্গে রান্না এবং খাবার খেতে হবে। রান্নার মসলার ব্যবহার কমাতে হবে এবং খাবার খেতে হবে পরিমিত। আমিও তাই করি। রান্নায় তেল মসলার ব্যবহার কমিয়ে খাবার কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।<br />
এবার রন্ধনশিল্পী হতে হলে কী কী গুণ থাকা আবশ্যক তা নিয়ে আলোচনা করেন সবাইÑ<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : শিল্প হচ্ছে সৃজনশীল একজন মানুষ। শিল্পের উপস্থাপনাটাও একটা বড় ব্যাপার। ভালো রন্ধনশিল্পী হতে হলে যিনি রান্না করবেন তার নিজস্ব কিছু ধারণা থাকতে হবে।<br />
রীমা জুলফিকার : যিনি রান্না করবেন তার বাহ্যিক জ্ঞান স্পষ্ট থাকতে হবে। বিভিন্ন ধরনের খাবারের রান্নার ধারণা থাকতে হবে।<br />
আলীয়া ওহাব : রান্নার সঙ্গে সঙ্গে ডেকোরেশনের গুরুত্ব দিতে হবে। রান্নায় পারদর্শী হতে হলে খুঁটিনাটি অনেক বেশি জানতে হবে। প্রয়োজনে রান্নার ওপর পড়াশোনা করতে হবে; প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আপডেট থাকতে হবে।<br />
আফরিনা শিপন : বর্তমান সময়ে রান্নাবান্না খুব সহজ হয়ে গেছে। বেশ কয়েকটি চ্যানেলেই রান্নার প্রোগ্রাম থাকে। তাছাড়া রান্নার প্রশিক্ষণের জন্য অনেক ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো ফলো করতে হবে।<br />
অনুপমা হক স্বাতি : বর্তমানে রান্না একটা শিল্পের পর্যায়ে চলে এসেছে। আমাদের বিনোদনের বড় একটা অংশজুড়েই কিন্তু রান্নার আয়োজন থাকে। ভেতরকার জ্ঞান হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের রান্না অনেকভাবেই করা যায়। এই কারিশমা জানতে হবে। ভালো রান্নায় দক্ষতা থাকতে হবে।<br />
কম সময়ে রান্নার প্রসঙ্গটি উঠলে সবাই বেশ নড়েচড়ে বসেন। প্রথমেই মুখ খোলেন রাহিমা সুলতানা রীতাÑ<br />
রাহিমা সুলতানা রীতা : মেন্যু প্ল্যানিংটা আগে থেকেই করে ফেলতে হবে। প্ল্যানিং করে করলে কাজ গোছাতে সহজ হয়, সময়ও বাঁচে।<br />
অনুপমা হক স্বাতি : খাবারে ভিন্ন স্বাদ আনাটা জরুরি। ভারী খাবারে সময় বেশি লাগে। তাই আগে থেকে ঠিক করতে হবে আগামীকালের জন্য রান্না কী হবে। যদি মাংস রান্না করা হয় তাহলে আগের দিন রাতে মেরিনেট করে ফ্রিজে রেখে দিলে সময় বাঁচবে। সকালে উঠে শুধু রান্না করলেই রান্না সহজ হবে। আর কাঁচা বাজারের ক্ষেত্রে ৭ দিনের বাজার একসঙ্গে এনে রেখে দিতে পারেন ফ্রিজে। এতে সময়ও বাঁচবে ঝামেলাও কমবে।<br />
আলীয়া ওহাব : মাংসের পাশাপাশি যদি আমরা সবজিও স্টিম করে রাখি তাহলে সময় বাঁচবে। স্টিম করা সবজি বা মাংস শুধু তেলে ফোড়ন দিয়ে নাড়াচাড়া করলেও কিন্তু একটা ফ্রেশ লুক আসে রান্নায়। ফ্রিজে মাছ-মাংস সংরক্ষণ করে রাখলে দিন হিসাব করে আলাদা আলাদা করে ভাগ করে রাখা উচিত। এতে সময় বাঁচবে। প্যাকেটটা বের করেই রান্না করা যাবে। একসঙ্গে ফ্রিজে মাংস রাখলে ভিজতেও সময় লাগে। তাই প্ল্যানিংটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%86%e0%a6%a1%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a6%e0%a7%a6/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>লাইফস্টাইল</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-23/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%25b2%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%2587%25e0%25a6%25ab%25e0%25a6%25b8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%259f%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%2587%25e0%25a6%25b2-23</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-23/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:53:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4946</guid>
		<description><![CDATA[ঈদে পরিপাটি রান্নাঘর আর কয়েকদিন পরই পালিত হতে যাচ্ছে খুশির ঈদ উৎসব। ঘরে ঘরে ঈদ আয়োজন চলছে বেশ জোরেশোরে। পোশাক কেনাকাটা, নিজের যতœ আর বাড়িঘর পরিপাটি করার পর চোখ দিতে হয় রান্নাঘরের দিকে। কারণ এক মাস সংযম পালন করার পর ঈদের দিনে মজার মজার রেসিপির অপেক্ষায় থাকে সবাই। তাই সব আয়োজনের পাশাপাশি রান্নাঘরের সাজসজ্জা, আধুনিকতা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ঈদে পরিপাটি রান্নাঘর</strong></p>
<p><a href="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/DSC_0027_resize.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-4947" title="DSC_0027_resize" src="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/DSC_0027_resize.jpg" alt="" width="301" height="200" /></a><br />
আর কয়েকদিন পরই পালিত হতে যাচ্ছে খুশির ঈদ উৎসব। ঘরে ঘরে ঈদ আয়োজন চলছে বেশ জোরেশোরে। পোশাক কেনাকাটা, নিজের যতœ আর বাড়িঘর পরিপাটি করার পর চোখ দিতে হয় রান্নাঘরের দিকে। কারণ এক মাস সংযম পালন করার পর ঈদের দিনে মজার মজার রেসিপির অপেক্ষায় থাকে সবাই। তাই সব আয়োজনের পাশাপাশি রান্নাঘরের সাজসজ্জা, আধুনিকতা আর পরিচ্ছন্নতার প্রতি নজর দেওয়াটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের দিনে রান্নার আয়োজনে বাড়ির গৃহিণীকে বেশ খানিকটা সময় রান্না ঘরে কাটাতে হয়। অন্য সব কাজ, মেহমান আপ্যায়ন, রান্নার জোগাড় করতে করতে রান্নাঘরের সাজসজ্জার কথা অনেকেরই মনে থাকে না। তাই এ ব্যাপারে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত রান্নাঘরের সাজসজ্জা নিয়ে একটু আগেভাগেই চিন্তা করুন।<span id="more-4946"></span><br />
ঈদের আগের দিনের জন্য বাইরের কোনো কাজ জমিয়ে না রেখে ঘরে থাকুন। যেহেতু ঈদ আনন্দে বিরাট একটা অংশজুড়ে থাকে খাবার-দাবার তাই ঈদের আগের দিনই রান্নাঘরের কাজ কিছুটা কমিয়ে রাখুন। যেকোনো সাজসজ্জার ক্ষেত্রেই সবচেয়ে গুরুত্ব পায় পরিচ্ছন্নতা। তাই প্রথমেই খাবার তৈরির ঘরটিকে সুন্দর ও সঠিক পদ্ধতিতে গুছিয়ে নেয়াটা খুব জরুরি। রোজার এক মাস প্রচুর ভাজাপোড়া খাবার তৈরির কারণে রান্নাঘর তেল চিটচিটে হয়ে যায়। ঈদের আগের দিন কিছুটা সময় বের করে প্রথমে গ্যাসের চুলা পরিষ্কার করুন। ব্রাশ দিয়ে বার্নারের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খাবারের কণা পরিষ্কার করুন। এরপর ডিটারজেন্ট পাউডার দিয়ে ভিজিয়ে রেখে তারের জালি দিয়ে মেজে নিলে তেলতেলে ভাব দূর হয়ে যাবে। রান্নাঘরের জানালা, অ্যাডজাস্ট ফ্যান, লাইট, বেসিন বা হাউস ইত্যাদি ধুয়েমুছে পরিষ্কার করে ফেলুন ঈদের আগের দিনই।<br />
চুলার নব, গ্যাস লাইন, রান্নাঘরের লাইট, কল, সুইচবোর্ড ইত্যাদি ঠিক আছে কি না আগেই পরীক্ষা করিয়ে নিন। এতে শেষমুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে পারবেন।<br />
চাঁদরাত বা ঈদের আগের রাত থেকেই ঈদের রান্না শুরু হয়ে যায়। চাঁদ দেখার পরপরই রান্নার কাজগুলো শুরু করে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। ঈদের দিন অতিথি ও পরিজনদের যাতে সময় দেওয়া যায় সেজন্য ঈদের দিনের কাজগুলো আগের দিন ও রাতে কমিয়ে ফেলাটাই ভালো। ধাপে ধাপে কাজগুলো করতে পারলে হাতের মুঠোয় থাকবে রান্নাঘর।<br />
প্রথমেই আপনি কী ধরনের এবং কয়টি খাবার তৈরি করবেন এর একটি তালিকা প্রস্তুত করুন। যেসব খাবার তৈরিতে বেশি সময় লাগে কিন্তু ফ্রিজে রাখলে স্বাদ নষ্ট হয় না সে রকম খাবার আগের রাতে রান্না করে ফেলুন। সালাদ, পানীয়, ফ্রুট কস্টার্ড বা ফ্রুট দিয়ে তৈরি খাবার ঈদের দিন টাটকা তৈরি করবেন। ঈদের দিনে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্রোকারিজ ও কাটলারি যেমনÑ চামচ, ডিশ, প্লেট, গ্লাস, ন্যাপকিন ধুয়েমুছে চুলা থেকে দূরে রান্নাঘরে ট্রলি বা কোনো টেবিলে ঢেকে রাখুন। হাতের কাছে দু-একটা পরিষ্কার পুরনো কাপড় রাখতে পারেন, বারবার হাত মোছা বা প্লেট পরিষ্কারের কাজে লাগবে। ঈদের আগের রাতে তৈরি খাবারগুলো একেবারে ওভেনপ্রুফ সার্ভিং ডিশে করে ফ্রিজে রাখুন। অতিথি এলে কম সময়ে ওভেনে দিতে পারবেন। মনে রাখবেন, ওভেনের ওপর কোনো প্রকার ভারি জিনিস রাখবেন না। রান্নাবান্না ও পরিবেশনের সময় অ্যাপ্রন ব্যবহার করুন। এতে ঈদের কাপড়টি সুরক্ষিত থাকবে।<br />
রান্নাঘর সুসজ্জিত থাকলে রাঁধুনির মনটাও সজীব আর প্রফুল্ল থাকে। তাই রান্নাঘর সাজিয়ে রাখাটা দরকার। চামচ, খুন্তি, ছুরি ও প্রয়োজনীয় জিনিস সুন্দর হোল্ডারে সাজিয়ে রাখুন। মাটির তৈজস ব্যবহার করে শৈল্পিক ভাব আনতে পারেন। রান্নাঘরের এককোণে বা ফ্রিজের ওপর প্লাস্টিকের ফুল বা কাঁচা ফুল সাজিয়ে রেখে স্নিগ্ধতা আনতে পারেন।<br />
রান্নাঘরকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করলে ঈদের দিন আপনার সময় ও কষ্ট দুটোই কম হবে। আর পরিবার ও অতিথিদের খুশি করে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন সানন্দে।<br />
ফারজানা তিথী</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-23/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>কাটুন &#8211; রফিকুন নবী</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%259f%25e0%25a7%2581%25e0%25a6%25a8-%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25ab%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%2595%25e0%25a7%2581%25e0%25a6%25a8-%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25ac%25e0%25a7%2580</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:51:54 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4943</guid>
		<description><![CDATA[]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div id="attachment_4944" class="wp-caption alignnone" style="width: 328px"><a href="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/43Y12-TOAKI0_resize.jpg"><img class="size-full wp-image-4944" title="কাটুন- রফিকুন নবী" src="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/43Y12-TOAKI0_resize.jpg" alt="" width="318" height="250" /></a><p class="wp-caption-text">টোকাই- রনবী</p></div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b0%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4941/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=4941</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4941/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:49:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4941</guid>
		<description><![CDATA[খাদ্যসম্ভার সংস্কৃতির অঙ্গ, আনন্দের অনুষঙ্গ। ঈদুল ফিতর বাংলাদেশের অন্যতম উৎসব। উৎসব আনন্দের, বিশেষ করে ঈদ উৎসবের অনেকখানি জুড়ে আছে খাবার-দাবার। নিত্যদিনের খাবার আয়োজনের চেয়ে ভিন্নতর এ আয়োজন। ঈদুল ফিতরের মূলসুর হলো আনন্দ ভাগাভাগি করা। তাই এই দিন প্রায় সব মানুষ পরিজন দর্শন করে। আপ্যায়ন করেন পরিজনদের। এই আপ্যায়ন চলে দিনভর। তাই এর জন্য চাই দিনভর [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>খাদ্যসম্ভার সংস্কৃতির অঙ্গ, আনন্দের অনুষঙ্গ। ঈদুল ফিতর বাংলাদেশের অন্যতম উৎসব। উৎসব আনন্দের, বিশেষ করে ঈদ উৎসবের অনেকখানি জুড়ে আছে খাবার-দাবার। নিত্যদিনের খাবার আয়োজনের চেয়ে ভিন্নতর এ আয়োজন। ঈদুল ফিতরের মূলসুর হলো আনন্দ ভাগাভাগি করা। তাই এই দিন প্রায় সব মানুষ পরিজন দর্শন করে। আপ্যায়ন করেন পরিজনদের। এই আপ্যায়ন চলে দিনভর। তাই এর জন্য চাই দিনভর রুচিকর খাবার-দাবার।<br />
বাংলাদেশের ঈদ উৎসবের তালিকা অনেক দীর্ঘ। মসলাদার ভারী খাদ্য থেকে হালকা পানীয়Ñ কী নেই এ তালিকায়। এ দেশে একটা প্রাচীন প্রবাদ আছে ‘এক অন্ন একান্ন ব্যঞ্জন’। এছাড়া অতিথি আপ্যায়নের প্রাচীন রীতি হলো ‘ছাপান্ন ভোজ’। অর্থাৎ ৫৬ প্রকার খাদ্য না হলে কি অতিথি সৎকার হয়? আজকের আধুনিক খাদ্য তালিকা দেখলেও এই অতীত ঐতিহ্য অনুধাবন করা যায়। আধুনিক বাঙালি ডাইনিং টেবিল এখন আর কেবল দেশি ঐতিহ্যগত খাবারে সীমাবদ্ধ নেই। এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে জাপান থেকে শুরু করে উভয় আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসম্ভার। তবে ঈদুল ফিতরের মূল খাবার মিষ্টিজাত। আর মিষ্টি খাবারের চারপাশ ঘিরে থাকে পোলাও-বিরিয়ানি থেকে শুরু করে চাটনি-চটপটি পর্যন্ত। মাংসের ব্যবহার এই খাদ্যসম্ভারে প্রায় অপরিহার্য। এ ছাড়া ফিরনি পায়েস সেমাই মোরব্বার ঐতিহ্যের পাশে স্থান করে নিয়েছে আইসক্রিম-কাস্টার্ড ও কেক-পেস্ট্রি। খাদ্যের এই সমৃদ্ধি বাঙালি জাতির দৃঢ় ঐতিহ্য ও নান্দনিক রুচির পরিচয় বহন করে। তাই আমরা কামনা করি বাঙালি রসনা তৃপ্ত হোক ঈদের বহুমুখী খাদ্যসম্ভারে। ‘শতভোজে’ উদ্যাপিত হোক ঈদ-আনন্দ।</p>
<p>প্রচ্ছদচিত্র আয়োজন<br />
রাহিমা সুলতানা রিতা<br />
সহযোগিতা<br />
আনোয়ার<br />
প্রচ্ছদচিত্র<br />
তুহিন হোসেন<br />
ছবি<br />
সুদীপ্ত সালাম<br />
গ্রাফিক্স<br />
খন্দকার শফিকুল ইসলাম তারেক আনন্দ<br />
খালেদ মাসুদ</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4941/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4938/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=4938</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4938/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:48:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[পাঠক ফোরাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4938</guid>
		<description><![CDATA[ট্রেনের ভাড়া এবং দুর্নীতি সরকার দেড় যুগ পর ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে ট্রেন যাত্রীদের জন্য সুখবর নয়। রেলওয়ের লোকসান ঠেকাতে এ ভাড়া বাড়ানো ছাড়া কর্তৃপক্ষের উপায় ছিল না। অথচ দুর্নীতিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। রেলওয়েতে চুরি, অপচয়, দুর্নীতি ইত্যাদি তো রয়েছেই, তারপর যে হারে রেলওয়ের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/SADIA-AFRIN_NSU_resize.jpg"><img class="alignnone size-full wp-image-4939" title="সাদিয়া আফরিন, নথ সাউথ ইউনিভাসিটি" src="http://www.shaptahik-2000.com/wp-content/uploads/2010/09/SADIA-AFRIN_NSU_resize.jpg" alt="" width="267" height="200" /></a></p>
<p>ট্রেনের ভাড়া<br />
এবং দুর্নীতি<br />
সরকার দেড় যুগ পর ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে ট্রেন যাত্রীদের জন্য সুখবর নয়। রেলওয়ের লোকসান ঠেকাতে এ ভাড়া বাড়ানো ছাড়া কর্তৃপক্ষের উপায় ছিল না। অথচ দুর্নীতিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। রেলওয়েতে চুরি, অপচয়, দুর্নীতি ইত্যাদি তো রয়েছেই, তারপর যে হারে রেলওয়ের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি হাতছাড়া হচ্ছে তা রোধ করা না হলে একদিন রেলওয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। উল্লেখ্য, আন্তঃনগর ট্রেনসহ কোনো ট্রেনে সেবার মান বলে কিছু নেই বরং দুর্ভোগে ট্রেনযাত্রীরা অতিষ্ঠ। বিনা টিকেটে ট্রেন ভ্রমণে একশ্রেণীর যাত্রীদের উৎসাহিত করছে ট্রেনের গার্ড, এটেন্ডেন্ট, সুপারভাইজাররা।<br />
এমতাবস্থায় গরিব, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত ট্রেনযাত্রীদের কথা বিবেচনা করে ট্রেন ভাড়া না বাড়িয়ে রেলওয়ের দুর্নীতি, চুরি এবং সম্পদ লুট রোধ করার মাধ্যমে রেলওয়ের আয় বাড়ানোর অনুরোধ করছি।<br />
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী<br />
ফরিদাবাদ, ঢাকা</p>
<p>আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী<br />
কর্মকা- বন্ধ হোক<br />
রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে ছাত্র-শ্রমিকসহ বিভিন্ন মহলের মানুষ আন্দোলনের নামে রাস্তাঘাট অবরোধ, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা- করছে। আন্দোলনের নামে এসব সন্ত্রাসী কর্মকা-ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ নিরীহ মানুষ। রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে নির্বিচারে। গাড়ি, দোকান ভাংচুর হচ্ছে, এর কি কোনো বিচার নেই? সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিত্যদিন এসব হচ্ছে। যাদের কাছ থেকে দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন হয় এতে তাদের কিছুই হয় না। ক্ষতি হয় সাধারণ মানুষের।<br />
তাই সবার কাছে অনুরোধ আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসী কর্মকা- বন্ধ করুন।<br />
রফিকুল ইসলাম সাগর<br />
বনানী, ঢাকা</p>
<p>ভালবাসা থাকলে<br />
শুধু দেশের প্রতি মানুষের সত্যিকার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা থাকলে যেকোনো সমস্যা দূর করা যাবে। এতে দেশের সংস্কৃতি ও অর্থনীতি রক্ষা করা এবং দেশের উন্নতি করা সম্ভব হবে। শুধু এতটুকু বলার ছিল। সবার প্রতি ভালবাসা থাকল।<br />
মোস্তাফিজুর রহমান লিটন<br />
ঘিওর, মানিকগঞ্জ</p>
<p>একটি দেশ ও ভাষা<br />
মানুষের জীবনে যা কিছু প্রথম তা মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখে। হোক সেটা দুঃখের বা সুখের। আমার জীবনে ঘটেছিল এমনই একটি ঘটনা। যা সুখ দিয়ে শুরু হলেও দুঃখ দিয়ে শেষ হয়েছে। ২০০৪ সালের শেষের দিকের ঘটনা। এক বড় ভাইসহ গিয়েছি ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে। ব্যাংকের এক মহিলা অফিসার বললেন, যে ছবিগুলো ব্যাংকে জমা দেবেন তার পেছনে নাম লিখুন। আমি বাংলায় নাম লিখতে  যাব তখনই বড় ভাই বললেন, বাংলায় কেন? ইংরেজিতে লেখ। এখন কি আর বাংলার দিন আছে? কষ্ট নিয়ে সেদিন বাসায় ফিরে আসি। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও ’৭১-এর স্বাধীনতার মাধ্যমে যে দেশ আমরা পেয়েছি, সে দেশের মানুষের মুখে এমন কথা কি মানায়? সেদিন আমার ক্ষমতা ছিল না কিছু করার। তবুও মনে মনে জানিয়েছি নিন্দা। আমার চাওয়া বাংলাকে যেন আমরা অবহেলা না করি।<br />
আশিক রহমান<br />
মিরপুর, ঢাকা</p>
<p>নতুন ধরনের হয়রানি<br />
রচনা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষিত ব্যক্তিদের হয়রানি করার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল নাটোরের সরকারি গণগ্রন্থাগার। গণগ্রন্থাগার অধিদফতর ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে যথাক্রমে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বিজয়ীদের নাম যথাসময়ে প্রকাশও করে; কিন্তু বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেনি। আগস্ট মাসে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আবার রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এটিও বিজয়ীদের হতাশ করে। জানা যায়, অন্য জেলায় বিজয়ীদের অনেক আগেই পুরস্কৃত করা হয়েছে। সরকারি গণগ্রন্থাগার নাটোরে যোগাযোগ করলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পরবর্তীতে যুগ্ম সচিবের (পরিচালক) কার্যালয়ে ফোনে যোগাযোগ করলে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি, যা বিজয়ীদের পরবর্তী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করছে। কারণ প্রত্যেকটি বিজ্ঞাপনে উল্লেখ থাকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে।<br />
মোঃ আরিফুল ইসলাম<br />
এনএস সরকারি কলেজ, নাটোর</p>
<p>প্রসঙ্গ সড়ক দুর্ঘটনা<br />
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রাজিয়া বেগম এবং বিসিক চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর সরকারের টনক নড়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। গত আগস্টে সবিচালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিপূর্বে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের র‌্যালি উদ্বোধনকালে যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন বলেছিলেন ‘শিগগিরই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করে মাঝখানে ডিভাইডার নির্মাণ করে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব সড়ক মহাসড়ককেই চার লেনে উন্নীত করে মাঝখানে ডিভাইডার নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশেই হ্রাস পাবে। কিন্তু যোগাযোগমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন চোখে পড়ছে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশও যদি কেবলই ‘নির্দেশ’ হয়ে থাকে তাহলে এ হবে বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নির্মম রসিকতা। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে কালক্ষেপণ করলে জাতিকে আরো চরম মূল্য দিতে হবে। জাতিকে রক্ষায় সরকার, এনজিও, সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ ব্যক্তিউদ্যোগ এখনই নিতে হবে।<br />
মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ্<br />
মিরসরাই, চট্টগ্রাম</p>
<p>শুধুই হেঁটে চলা&#8230;<br />
ছোটবেলায় যখন মামার সঙ্গে গ্রামের বাড়ি যেতাম তখন বাস থেকে নেমেই মামার হাত ধরে হাঁটা শুরু হতো। অনেকটা হাঁটার পর ক্লান্ত হয়ে মামাকে যখন জিজ্ঞাসা করতাম, ‘মামা আর কত দূর?’ মামা তখন দিগন্তরেখায় সেঁটে থাকা আবছা কোনো গ্রাম বা ঝোপ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে উত্তর দিতেন, ‘ওই যে লম্বা তালগাছটা দেখতাছো ওইখানে।’ আবার পুরো উদ্যমে হাঁটা শুরু করতাম। অনেকক্ষণ হাঁটার পর দূর থেকে মামার দেখানো তালগাছটি খুঁজে না পেয়ে আবার একই প্রশ্ন করতাম, ‘আর কত দূর?’ মামাও আগের উত্তরটি খানিক সংস্কার করে বলতেন, ওই যে বটগাছটা ওইখানে।’ আবার হাঁটা শুরু। এভাবে আমি প্রশ্ন করে যেতাম, মামা একই উত্তর দিয়ে যেতেন। শুধু বদলে যেত গাছের নাম, কখনো কড়ই, কখনো বা সুপারি। সময় গড়িয়ে যেত, মামার গাছগুলো হাতের নাগালে পাওয়া যেত না। সেই ছোটবেলায় দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে কিন্তু এক সময় নানাবাড়ি মিলত। কিন্তু জীবনচলায় কোনো নানাবাড়ি নেই। পথেই জন্ম, পথেই মৃত্যু। কোথায় যাচ্ছি? উত্তর নেই। কোনো ঠিকানা নেই, লক্ষ্য নেই। দিগন্ত হাত নেড়ে ডাকে, হাত মেলায় না। কেউ কারো পথ হেঁটেও দিতে পারে না। শুধুই হেঁটে চলা&#8230; একা!<br />
চিত্রলেখা<br />
খিলগাঁও, ঢাকা</p>
<p>পোশাক শিল্পকে বাঁচতে দিন<br />
বাংলাদেশের প্রধান রফতানি খাত পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রা আমাদের যথেষ্ট গর্বিত করে। এ দেশে তৈরি পোশাক সুদূর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ নামটি পৌঁছে দিয়েছে। কিন্তু যাদের অবর্ণনীয়-অক্লান্ত শ্রমে শিল্পটি এ অবস্থায় পৌঁছেছে, দীর্ঘদিন ধরে সেই পোশাক শ্রমিকরা মজুরি বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত কাজ করেও নামমাত্র মজুরির দরুন তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়। ফলে শুরু হয় পোশাক শিল্পে অস্থিরতা।<br />
মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক এমনই তিক্ত যে অনেক চেষ্টাও শিল্পে স্থিতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনেকে আবার এ অস্থিরতার নেপথ্যে তৃতীয় পক্ষের মদদকে দায়ী করছেন। তবে কারণ যাই হোক, আমরা চাই যৌক্তিক বেতন-কাঠামো, নির্ধারিত কর্মসময় ও পরিবেশ এবং মালিক-শ্রমিক সমঝোতা স্থাপনের মাধ্যমে যাবতীয় অস্থিরতা দূর হোক।<br />
সোহেল নওরোজ<br />
বাকৃবি, ময়মনসিংহ</p>
<p>গতি বাড়াতে হবে<br />
আমেরিকার উন্নতির সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নতির তুলনা করা চলে না ঠিকই, কিন্তু আমেরিকার মতো বা তার কাছাকাছি পৌঁছাতে আমাদের উন্নয়নের যে গতি থাকার কথা তা কি আছে? আমাদের রাজনীতিবিদরা বলেন, মার্কিনিরা দুশ-আড়াইশ বছরে আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। কথাটা সত্য। কিন্তু আমরা কি সেই একই মেয়াদ পর আমেরিকার জায়গায় পৌঁছাতে পারব। বর্তমান পরিস্থিতি দিয়ে যদি বিচার করি, তাহলে কষ্টের সঙ্গে বলতে হয় আড়াইশ কেন ৫শ বছরেও বাংলাদেশ তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে না। আমাদের ইতিবাচক অনেক দিক রয়েছে, কিন্তু সেই ইতিবাচক দিকগুলো কখনই বিকশিত হতে পারবে না যতদিন না দেশের ‘সুপ্রিম পাওয়ার’ সেগুলোর সহায় হবে না। আমরা এত অন্ধকারের পরও আশাবাদী, অন্তত আগামী প্রজন্ম দেশের উন্নয়নের গতিকে আরো ত্বরান্বিত করবে।<br />
সম্রাট<br />
ভূতের গলি, ঢাকা</p>
<p>মামলার খরচ এবং নিষ্পত্তির নীতিমালা চাই<br />
দেশে বিভিন্ন ধরনের মামলার প্রতিটির জন্য ক্ষেত্র বিশেষ সুনির্দিষ্টভাবে কত টাকা খরচ ধার্য হবে এবং মামলা কতদিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হবে তার জন্য নীতিমালা তৈরি করা হলে দেশের অর্থনীতিতে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।<br />
বাস্তবে আমরা দেখি ১০ হাজার টাকার দেনমোহর আদায় করার জন্য মামলা ঠুকে ২৪ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেলেও টাকা আদায় হয় না। এক শতাংশ জমির জন্য যুগ যুগ ধরে মামলা চলে; অথচ সালিশের মাধ্যমে তা মীমাংসা করা সহজ ছিল। এ ক্ষেত্রে তাই মামলার সুনির্দিষ্ট খরচ ধার্য এবং নিষ্পত্তির সময় বেঁধে দেওয়ার আইনগত নীতিমালা তৈরি করা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। আশা করি গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়টির ব্যাপারে সরকার জরুরি পদক্ষেপ নেবে।<br />
নয়ন<br />
কলেজ রোড, ডামুড্যা, মাদারীপুর</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4938/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ঈদের অন্যতম আনন্দ অনুষঙ্গ রান্নাআন্দালিব আনোয়ার</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%99%e0%a7%8d/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%2588%25e0%25a6%25a6%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25b0-%25e0%25a6%2585%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25af%25e0%25a6%25a4%25e0%25a6%25ae-%25e0%25a6%2586%25e0%25a6%25a8%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a6-%25e0%25a6%2585%25e0%25a6%25a8%25e0%25a7%2581%25e0%25a6%25b7%25e0%25a6%2599%25e0%25a7%258d</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%99%e0%a7%8d/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:43:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রচ্ছদ প্রতিবেদন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4936</guid>
		<description><![CDATA[বর্তমান যুগে রান্না একটি শিল্প, মানে আর্ট। আর এ শিল্পের সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িত আতিথেয়তা খাত। দামি হোটেল, রেস্তোরাঁ, মোটেল, রিসোর্ট বহুলাংশে নির্ভরশীল রান্নার ওপর। রান্না প্রণালি আর খাদ্য হাত ধরাধরি করে চলে। এছাড়া রান্না বিজ্ঞানও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিজ্ঞান। যে বিজ্ঞানে স্বাদ, গন্ধ, বর্ণ এবং পুষ্টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখতে হয়। শিল্প এবং বিজ্ঞানের পরিধির বাইরেও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান যুগে রান্না একটি শিল্প, মানে আর্ট। আর এ শিল্পের সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িত আতিথেয়তা খাত। দামি হোটেল, রেস্তোরাঁ, মোটেল, রিসোর্ট বহুলাংশে নির্ভরশীল রান্নার ওপর। রান্না প্রণালি আর খাদ্য হাত ধরাধরি করে চলে। এছাড়া রান্না বিজ্ঞানও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিজ্ঞান। যে বিজ্ঞানে স্বাদ, গন্ধ, বর্ণ এবং পুষ্টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখতে হয়। শিল্প এবং বিজ্ঞানের পরিধির বাইরেও রান্না বিস্তৃত। সংস্কৃতির অংশ রান্না। ঐতিহ্যের অংশ রান্না। রন্ধন শিল্পের বিকাশের সঙ্গে জড়িত মানব সভ্যতার বিকাশের ইতিহাস। ক্ষুধা এবং মনের অতৃপ্তি সভ্যতা বিকাশের দুই নিয়ামকÑ একথা বললে অত্যুক্তি হবে না।<span id="more-4936"></span><br />
সভ্যতার ঊষালগ্নে মানুষ অর্ধ দগ্ধ, সেদ্ধ বা পোড়া খাবারে অভ্যস্ত হয়। তার পর থেকে সভ্যতার চাকা যতই সামনে এগিয়েছে রান্নার প্রকার ও প্রক্রিয়া ততই উন্নত হয়েছে। বিকশিত হয়েছে মানুষের জ্ঞানের পরিধি, বিকাশ লাভ করেছে খাদ্য প্রক্রিয়া কৌশল। মানুষের নান্দনিক চেতনার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে খাদ্য উপস্থাপনার ধরন ও পদ্ধতি।<br />
আজ, একবিংশ শতাব্দীতে এসে রান্না যে স্তরে পৌঁছেছে তার সূত্রপাত অনেক আগে, খ্রিস্টপূর্ব অব্দে। প্রাচীন ভারত, গ্রিস, মধ্য এশিয়া, মিসর, চীন এবং মেসোপটেমিয়া ও পারস্যে রসনা তৃপ্ত করার যে প্রয়াস দেখা যায়, তা আজকের যুগের চেয়ে খুব বেশি পশ্চাৎপদ নয়। রান্নার এই যে বিকাশ এর পেছনের কারণ মানুষের মনের অতৃপ্তি। ১০ হাজার বছর আগে বা আরো আগে মাংসাশী প্রাণী ও মানুষ যখন মাংস খাওয়া শিখেছে তখন থেকে এ পর্যন্ত হাজার পদের মাংস রান্নার উদ্ভব হয়েছে সভ্যতার গর্ভে। আর প্রাণীকূল রয়ে গেছে মৌলিক ক্ষুন্নিবৃত্তিতেই। মানুষের মন কেবল ক্ষুধা নিবৃত্তিতে থেমে থাকেনি। তার অতৃপ্ত মন কেবল চেয়েছে রূপে, রসে, বর্ণে, গন্ধে খাদ্যকে আরো বেশি তৃপ্তিকর করে তুলতে। সভ্যতা বিকশিত হয়েছে, সভ্যতা বিশেষ বিশেষ রূপে বিকশিত হয়েছে পৃথিবীর নানা প্রান্তে। মানুষের এই অঞ্চলগত বিভাজন স্থানীয় পরিবেশ, খাদ্যের প্রাপ্যতা ও রুচি-চিন্তাকে যুক্ত করে নির্দিষ্ট করেছে খাদ্যাভ্যাস। কৃৎকৌশলের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ জয় করে নেয় সময় ও দূরত্বকে। আর বিভাজিত মানব সভ্যতাকে দাঁড় করিয়ে দেয় এক অখ- মানব সভ্যতার তাঁবুর নিচে। ফলে মানুষের খাদ্যাভ্যাস হয়ে যায় একের ভেতর অনেক। নিজস্ব জাতিগত খাদ্যভ্যাসের মূলভূমিতে মানুষ গ্রহণ করে অন্যের খাদ্য তালিকা। আর এর মধ্য দিয়ে রান্না বা খাদ্য  প্রক্রিয়া প্রণালি হয়ে ওঠে এক বিশাল শিল্প মাধ্যম। যার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত হয় রুচি, সংস্কৃতি ও প্রাচীনত্ব।<br />
সারা পৃথিবীতেই সেবা শিল্পে খাদ্য উৎসব, অন্য নামে রন্ধন উৎসব, এখন এক অনিবার্য প্রথা। দুনিয়াব্যাপী গড়ে ওঠা মহানগরগুলো এখন স্থায়ী খাদ্য প্রদর্শনী। মহানগর মানেই স্থানীয় খাদ্যের পাশাপাশি জাপান থেকে মেক্সিকোÑ সব দেশের খাদ্যসম্ভার নিয়ে গড়ে ওঠা রেস্তোরাঁর সমাবেশ।<br />
খাদ্য এখন আর কেবল ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে খাদ্যমানের পরিমাপন এবং উপস্থাপন ঢঙ, স্বাদ ও রঙ নির্ধারণ এবং যে অঞ্চলের খাদ্য সে অঞ্চলের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকরণ। কারণ খাদ্যের মধ্যেই যে ফুটে ওঠে ঐতিহ্য। এই তো গেল সেবা শিল্পের রান্না ও খাদ্যের কথা। আটপৌরে খাবার অর্থাৎ সবসময় ঘরে ঘরে যে খাবার রান্না হয় তাও কিন্তু ঐতিহ্যের বাইরে নয়। আটপৌরে খাবার সম্পর্কে বলতে গেলে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন গড়ে ওঠা অভ্যাস ও খাদ্যের সঙ্গে মানসিক সম্পর্কের কথা বলতেই হয়। যেমন ধরুন বাঙালির কথাÑ মাছভাজা আর ভাপ ওঠা ভাতের কল্পনায় জিভে জল আসে। কিন্তু পাঞ্জাবের মানুষ সরষের শাক আর মকাই-এর রুটির কথা চিন্তা করে অভিভূত হয়। এখানে কোনটা ভালো কোনটা খারাপ সে বিবেচনার অবকাশ নেই।<br />
ঘরের খাবারেরও বিভাজন আছে। রোজকার খাবার আর উৎসবের খাবার। প্রতিবেলার খাবারের জন্য বাড়তি উদ্যোগ থাকে না, উৎসবের খাবার আয়োজনে যা থাকে। মূলত উৎসব আয়োজনেই  বেশি করে পরিস্ফুট হয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য। আর ঘরে ঘরে খাবারের উৎসব হয় পারিবারিক সমাবেশ অর্থাৎ বিয়ে, জন্মদিন, আত্মীয় সমাগমে। আত্মীয় বিয়োগেও খাবার আয়োজন হয়, নানা দেশে ভিন্ন ভিন্ন আসরে, ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে।<br />
বাংলাদেশের খাদ্য ঐতিহ্য মিশ্র ধরনের। স্থানীয় খাবার, মোগলাই খাবার, বিলেতি খাবার, চীনা খাবার, ভূমধ্যসাগরীয় খাবার, ফারসি খাবার এবং সাম্প্রতিককালে থাই খাবারের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এ দেশের খাদ্য সম্ভার। ফলে স্যুপ-সালাদ, ভর্তা ভাজি, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, বিরিয়ানি-খিচুরি, পিঠা-পায়েস, ফিরনি-সেমাই, কেক-পেস্ট্রি, পুডিং চকোলেটসহ অসাধারণ সব পদ জায়গা করে নিয়েছে বাঙালির খাদ্য সম্ভারে। আর তাই বাঙালির রন্ধনশিল্পও এক অনন্য সুন্দর, কিন্তু জটিল রূপ নিয়েছে। তবে এ কথা বলতেই হয় যে, বাংলাদেশের উৎসবের বেজফুড বা মূল খাবার মুঘল ঘরানার। আর মুঘল খাবার মানে মধ্য এশিয়া, পারস্য, আফগানিস্তান ও গ্রিসের খাদ্যরীতির সঙ্গে স্থানীয় মসলা ও খাদ্যরীতি ও রন্ধনশৈলীর মিশ্রণে গড়ে ওঠা এক অসাধারণ তৃপ্তিকর খাদ্যসম্ভার।<br />
বাংলাদেশের সামাজিক উৎসবগুলোর মধ্যে ঈদুল ফিতর অন্যতম। ঈদুল ফিতরের উৎসবের যেমন বিশেষ রীতি ও রূপ আছে, তেমনি খাদ্য সম্ভারেও আছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য। আজকের এই রীতি ও রূপ একদিনে তৈরি হয়নি। শত বছরের উদযাপনের ঐতিহ্য ধরে এই রূপে এসে দাঁড়িয়েছে।<br />
বাংলাদেশের ঈদুল ফিতর উৎসবের খাদ্য তালিকায় একটা অভিন্ন রূপ তৈরি হয়েছে। ধনী দরিদ্র এবং অঞ্চল নির্বিশেষেই খাদ্য তালিকার চরিত্র এক। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাদ্য ঈদুল ফিতরের প্রধান আকর্ষণ। আর মাংস ও  মুঘল ঘরানার পোলাও-বিরিয়ানি প্রধান অনুষঙ্গ।<br />
মূল মুঘল খাবারে গরুর মাংসের তেমন জায়গা ছিল না। মুরগি, খাসি, সবজি, দুধ, দই, ঘি এবং নানাবিধ মসলা ছিল এর উপাদান। রন্ধননীতি মধ্য এশিয়ার আর মসলা স্থানীয়Ñ এই ছিল মুঘল রসুই ঘরের মুন্সিয়ানা। কালের আবর্তনে মুঘলরা উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বাংলা, দাক্ষিণাত্য ও পূর্বভারতের বিশাল এলাকা তাদের দখলে নেয়। পরিচিত হয় আরাকান ও বার্মিজ সংস্কৃতির সঙ্গে। এর ফলে মুঘল খাবারে আফগানি, কাশ্মীরি ও হায়দ্রাবাদি রন্ধনশিল্পের প্রভাব পড়ে ব্যাপকভাবে। আরো পরে নবাবী আমলে এবং ব্রিটিশ আমলে মুঘল খাবারে মিলে যায় বাংলা ও ইউরোপীয় খাদ্যরীতি। এই ক্রমবিবর্তিত মোগলাই খাবারই এখন বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব অঞ্চলের উৎসবের অন্যতম খাবার।<br />
উৎসব সংস্কৃতি এবং খাদ্যবৈচিত্র্য বিবেচনায় রেখেই এবার রান্না প্রণালি সাজানো হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে নানা পদের রেসিপি। আশা করি এই প্রয়াস ঈদ আনন্দকে একটু হলেও বাড়িয়ে দেবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%88%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%99%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4934/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=4934</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4934/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:42:36 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[ঘটনা প্রবাহ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4934</guid>
		<description><![CDATA[উচ্চ আদালতের রায় এবং রাজনীতিতে নতুন তরঙ্গ ২০০০ ডেস্ক উচ্চ আদালতে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল হয়ে যাওয়ায় রাজনীতিতে নতুন তরঙ্গ তৈরি রয়েছে। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বিচারের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে নয়া মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্বিগ্ন এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। পঞ্চম ও সপ্তম [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>উচ্চ আদালতের রায় এবং রাজনীতিতে নতুন তরঙ্গ<br />
২০০০ ডেস্ক</p>
<p>উচ্চ আদালতে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল হয়ে যাওয়ায় রাজনীতিতে নতুন তরঙ্গ তৈরি রয়েছে। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বিচারের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে নয়া মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই উদ্বিগ্ন এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন।<br />
পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে কিনা? আদালতের রায়ে এ ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। রায়ে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করতে জাতীয় সংসদ শাস্তি নির্ধারণ করে আইন পাস করতে পারে। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন বিচারের জন্য আইন প্রণয়ন করার প্রয়োজন নেই। দ-বিধি অনুযায়ীই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সম্ভব। আইনের আদালতে স্বৈরশাসকদের বিচার না হলেও জনতার আদালতে অনেক আগেই বিচার হয়ে গেছে। এখন তারা ইতিহাসের কাঠগড়ায়।<br />
বিচারের ব্যাপারে সরকার চুপ থাকলেও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সেনাশাসক ও তাদের দোসরদের বিচার ও শাস্তি দাবি করেছে আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের শরিক দলগুলো। ভবিষ্যতে কেউ যাতে অবৈধ উপায়ে অস্ত্রের জোরে ক্ষমতা দখল করতে, গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করতে না পারে তার জন্যই অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী জীবিত বা মৃত যেই হোন না কেন তার বিচার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন মহাজোটের অনেক নেতা। এ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, যারা বন্দুকের নল উঁচিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, গণতন্ত্রকে পদদলিত করেছে তাদের বিচার হওয়া উচিত। মহাজোটের শরিক ও ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি বলেন, স্বৈরাচার বা স্বৈরশাসকের কোনো ভালো সূত্র নেই। এরা আসে অবৈধ উপায়ে। যারা অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করেছে জীবিত বা মৃত যেই হোন না কেন তাদের বিচার হওয়া উচিত। জোটের অন্য শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের অভিযোগে সাবেক সামরিক শাসক এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয় ২০০৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। মামলা নম্বর ২৫, ধারা ১২৪। ওই মামলায় এরশাদকে আসামি করা হয়। অবৈধ ক্ষমতা দখল প্রসঙ্গে হাসানুল হক ইনু বলেন, অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী সে যেই হোন তার বিচার করতে হবে। এরশাদ এখন আপনার জোটের শরিক। তার বিচার চান কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মহাজোটের শরিক বলে এরশাদ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তার বিচার হওয়া জরুরি।<br />
সংবিধান হচ্ছে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন। জনগণই সব ক্ষমতার মালিক। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। এ আইনের ওপর সামরিক আইনসহ কোনো আইনের অবস্থান হতে পারে না। বন্দুকের নল দিয়ে ক্ষমতা নিয়ে আইন পাস করলে তা বৈধতা পায় নাÑ তা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এখন মূল আলোচনার বিষয় হচ্ছে শাস্তি কী এবং শাস্তি কীভাবে দেওয়া যাবে। আদালত বলেছে, সংসদ এ বিষয়ে আইন পাস করতে পারে। সামরিক আইন জারির ফসল যারা ভোগ করেছে তারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের রয়েছে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্লাটফরম। রায় যাদের বিপক্ষে গেছে তারা প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত। এই রাজনৈতিক দল কী ভূমিকা নেয় তার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে। জেনারেল জিয়ার সৃষ্ট বিএনপি এখন প্রধান বিরোধী দল, আর জেনারেল এরশাদের জাতীয় পার্টি মহাজোটের প্রধান শরিক। মন্ত্রিসভায় তাদের সদস্য রয়েছে। এই অবস্থায় জিয়া ও এরশাদের বিচার করা কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। বিচার প্রশ্নে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নৈতিক অবস্থান কী হবে তা ভেবে দেখার বিষয়। আদালতের রায়কে কীভাবে দেখছেন ও জাতীয় পার্টির অবস্থান কী প্রশ্নে এইচএম এরশাদ বলেন, আদালতের রায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করছি। সম্পূর্ণ রায় জানার পরে পূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানাব। তবে আমি যা করেছি তা জনগণের মঙ্গলের জন্য করেছি। এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আদালতের রায়কে স্বাগত জানাই। তবে এ রায় এখন সরকার কীভাবে বাস্তবায়ন করবে সেটাই বড় বিষয়। আপনি উভয় স্বৈরশাসকের দোসর ছিলেনÑ এ বিষয়ে এই সিনিয়র বিএনপি নেতা বলেন, জিয়া ও এরশাদ যখন সামরিক শাসন জারি করে সংবিধান লঙ্ঘন করেন তখন আমি তাদের সঙ্গে ছিলাম না। আমি তাদের রাজনীতির সঙ্গে অনেক পরে সম্পৃক্ত হয়েছি।<br />
সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল হয়ে যাওয়ায় রাজনীতিতে হঠাৎ ঝড়োহাওয়ার পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে। জিয়ার মরণোত্তর ও এরশাদের বিচার করতে গেলে তা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির ভালোভাবে নেয়ার সম্ভাবনা নেই। বিষয়টি নিয়ে উভয় দলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কর্নেল তাহের হত্যা। নিয়মবহির্ভূতভাবে যেভাবে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল তা জাতির এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। আদালত ওই বিচারের গোপন নথিও চেয়ে পাঠিয়েছে। এতে বিএনপির রাজনীতি নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক দল হিসাবে বিএনপি সঙ্কটময় মুহূর্ত পার করছে। দুর্নীতি, লুটপাট, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে মামলায় দলটি অনেকটা বিপর্যস্ত। সেই জায়গা থেকে উত্তরণের জন্য খালেদা জিয়া ঈদের পরে দেশ বাঁচানোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে রাজনীতি সংঘাতের দিকে মোড় নিচ্ছে।<br />
তবে আদালতের রায়ে একটা বিষয় নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের মালিক বন্দুকের নল নয়, জনগণ। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সেই সত্য প্রতিষ্ঠা করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/4934/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এরশাদকে শাস্তি দেবে কে?ফজলুর রহমান</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%9c/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%258f%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%25b6%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25a6%25e0%25a6%2595%25e0%25a7%2587-%25e0%25a6%25b6%25e0%25a6%25be%25e0%25a6%25b8%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25a4%25e0%25a6%25bf-%25e0%25a6%25a6%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25ac%25e0%25a7%2587-%25e0%25a6%2595%25e0%25a7%2587%25e0%25a6%25ab%25e0%25a6%259c</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%9c/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:40:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রতিবেদন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4932</guid>
		<description><![CDATA[আমাদের রাজনীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সুযোগ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংবিধান প্রদত্ত জনগণের গণতন্ত্র  যাতে সুসংহত হয়, আর যেন কোনো সামরিক শাসক অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে সে লক্ষ্যে রায় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রথমে ৫ম সংশোধনী বাতিল এবং ২৬ আগস্ট ৭ম সংশোধনী বাতিল করে যে রায় দিয়েছেন তাতে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের রাজনীতিতে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সুযোগ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংবিধান প্রদত্ত জনগণের গণতন্ত্র  যাতে সুসংহত হয়, আর যেন কোনো সামরিক শাসক অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে সে লক্ষ্যে রায় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রথমে ৫ম সংশোধনী বাতিল এবং ২৬ আগস্ট ৭ম সংশোধনী বাতিল করে যে রায় দিয়েছেন তাতে করে জেনারেল জিয়া এবং জেনারেল এরশাদের জারি করা সামরিক আইনের শাসন বাতিল বলে গণ্য হয়েছে। একই সঙ্গে সে সময়ে তাদের ক্ষমতা দখলও অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন কোর্ট।<span id="more-4932"></span><br />
সংবিধানের ৭ম সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করার জন্য জাতীয় সংসদ অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীর শাস্তি নির্ধারণ করতে পারবে।’<br />
হাইকোর্টের এই রায়কে তাৎক্ষণিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন যার হাত দিয়ে সংবিধানের ৭ম সংশোধনী এসেছে সেই সামরিক শাসক, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে তিনি বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার পর তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করবেন।<br />
৫ম এবং ৭ম সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়কে ঐতিহাসিক বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ওই রায়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সুসংহত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ভবিষ্যতে সামরিক শাসকদের অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হবে।<br />
কেবল হাইকোর্টের রায় আর আইন করে গণতন্ত্রকে সুসংহত ও নিরাপদ করা যায় না। দেশ এবং আশপাশের রাজনীতি, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার খোঁজ-খবর যারা রাখেন তাদের এমনি মত। তারা বলেন, গণতন্ত্রকে মজবুত ভিত্তি দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে উদ্যোগী হতে হবে।<br />
বাংলাদেশে সেই সুযোগ বারবার এসেছে।  ১৯৯০ সালে জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকারকে হটিয়ে এই সুযোগ এসেছিল। খালেদা জিয়ার সরকার তখন এর সদ্ব্যবহার করেনি। ’৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে সরকার ক্ষমতায় আসে তারাও পুরোমাত্রায় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারেনি। ২০০১ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত সরকার এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ২০০৬ সালে বাংলাদেশে আবারো একটি অগণতান্ত্রিক সরকারের আবির্ভাব হয়। দৃশ্যত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন হলেও কার্যত সামরিক প্রভাবাধীন শাসনের কবলে পতিত হয় বাংলাদেশ। রাজনীতিবিদ,  সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ মনে করে আজ হোক কাল হোক ড. ফখরুদ্দীন আহমদের এই সরকারের বিরুদ্ধে একদিন রিট হবে।<br />
৫ম এবং ৭ম সংশোধনী বাতিলের রায়কে প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিক বললেও বিগত দুবছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসন এবং মহাজোট সরকারের অন্যতম শরিক এরশাদের শাসন আমল সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট করে কিছু বলেনি তারা। কেবল অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, এরশাদ কম অপরাধ করেছেন। জেনারেল জিয়া করেছেন বেশি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ওই দুসেনা শাসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে  সংসদ কোনো আইন প্রণয়ন করবে কিনা তা এখনো বলা যাচ্ছে না। তবে সংবিধান সংশোধনে সংসদীয় যে বিশেষ কমিটি হয়েছে সে কমিটির সদস্যরা এ নিয়ে কথাবার্তা বলছেন।</p>
<p>শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না এরশাদের<br />
১৯৯০ সালে ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই নানা শঙ্কা আর বিপদ পিছু নিয়েছে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, সামরিক ফরমান জারি, ছাত্র-জনতা হত্যাসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত তিনি। ’৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর পাঁচ বছর জেলে কাটাতে হয় তাকে। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের পাঁচ এবং বেগম জিয়ার আরও পাঁচ বছরের শাসনামলে রাজনীতির নানা অঙ্ক তাকে জেলের বাইরে থাকতে সুযোগ করে দেয়। বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন যে মহাজোট ক্ষমতায় তার অন্যমত শরিক এরশাদের জাতীয় পার্টি। তারপরও তার শঙ্কা কাটছে না। নবম সংসদের ৫ম অধিবেশনে তিনি বলেছেন, মহাজোট সরকারকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। যে কোনো মূল্যে সফল হতে হবে। এই সরকার ব্যর্থ হলে তিনিই হবেন প্রথম ব্যক্তি যাকে ফাঁসিতে ঝুলতে হবে। এরশাদ কেন ফাঁসিতে ঝুলবেন? তিনি কী অপরাধ করেছেন? অপরাধ করে থাকলে সরকার তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে না কেন?<br />
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-দুদলই এরশাদকে নিয়ে রাজনীতি করেছে। তিনি যত দিন রাজনীতির মাঠে থাকবেন ততদিন এই যন্ত্রণা তাকে সইতেই হবে। কেননা তার দল জাতীয় পার্টি এই দুই দলের প্রভাব বলয়ের বাইরে একক বড় শক্তি হিসাবে কখনই দাঁড়াতে পারবে বলে মনে করছে না রাজনীতির বিশ্লেষকরা। জাতীয় পার্টির তেমন কোনো ইমেজও নেই। আর শাসক হিসাবে এরশাদ যে অপরাধ করেছেন তার প্রমাণ হাইকোর্টের রায়। এখন সংসদ প্রয়োজনে অবৈধ ক্ষমতা দখলের জন্য তাকে শাস্তির মুখোমুখি করতে পারে।<br />
অন্যদিকে বিএনপি যদি কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয় তারা এরশাদকে জেলে ভরবে এটা এরশাদ নিজের মুখেই বলেছেন বারবার। তাই শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না তার।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%b0%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ab%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>একটি প্রকল্প : কিছু অসঙ্গতিমোহা. মোশাররফ হোসেন</title>
		<link>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a4/?utm_source=rss&amp;utm_medium=rss&amp;utm_campaign=%25e0%25a6%258f%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%259f%25e0%25a6%25bf-%25e0%25a6%25aa%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25b0%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%25b2%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%25aa-%25e0%25a6%2595%25e0%25a6%25bf%25e0%25a6%259b%25e0%25a7%2581-%25e0%25a6%2585%25e0%25a6%25b8%25e0%25a6%2599%25e0%25a7%258d%25e0%25a6%2597%25e0%25a6%25a4</link>
		<comments>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a4/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Sep 2010 05:38:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সাপ্তাহিক ২০০০</dc:creator>
				<category><![CDATA[প্রতিবেদন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.shaptahik-2000.com/?p=4928</guid>
		<description><![CDATA[এ মুহূর্তে সুরক্ষিত ঘোষিত প্রতœস্থলের সংখ্যা এ দেশে ২২৫টি। এগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটিতে এক বা একাধিক ঢিবি অথবা পুরাস্থাপনা কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ চাঁপাইনবাবগঞ্জের লক্ষণাবতী-গৌড়ের উপ-শহরের কথা বলা যায়। এ প্রতœস্থলটির মধ্যে রয়েছে ছোট সোনামসজিদ, শাহ নেয়ামত উল্লাহ ওয়ালীর মাজার ও মসজিদ, শাহ সুজার হাম্মাম, দারাসবাড়ি মসজিদ (মাদ্রাসা), খানিয়াদিঘি মসজিদ (রাজবিবি মসজিদ), বালিয়াদিঘি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>এ মুহূর্তে সুরক্ষিত ঘোষিত প্রতœস্থলের সংখ্যা এ দেশে ২২৫টি। এগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটিতে এক বা একাধিক ঢিবি অথবা পুরাস্থাপনা কিংবা ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ চাঁপাইনবাবগঞ্জের লক্ষণাবতী-গৌড়ের উপ-শহরের কথা বলা যায়। এ প্রতœস্থলটির মধ্যে রয়েছে ছোট সোনামসজিদ, শাহ নেয়ামত উল্লাহ ওয়ালীর মাজার ও মসজিদ, শাহ সুজার হাম্মাম, দারাসবাড়ি মসজিদ (মাদ্রাসা), খানিয়াদিঘি মসজিদ (রাজবিবি মসজিদ), বালিয়াদিঘি মসজিদ, গৌড় দুর্গের দক্ষিণ প্রাচীরের অংশবিশেষ, শিয়ালমারা, দুধপুকুর প্রভৃতি পুরাস্থাপনা। এ ধরনের অন্যান্য স্বনামধন্য প্রতœস্থল হলো মহাস্থানগড়, ময়নামতি, সোনারগাঁও, লালবাগ দুর্গ, খলিফাতাবাদ শহর ও শহর মহম্মদাবাদ। আবার একক ঐতিহাসিক ইমারত নিয়েও অনেক প্রতœস্থল রয়েছে; যেমন- দিনাজপুরের সুরাহ মসজিদ ও কান্তজি মন্দির, বাগেরহাটের কোদলা মঠ (অযোধ্যা মঠ), ফরিদপুরের মথুরাপুর দেউল, মাদারীপুরের রাজারাম মন্দির, কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম কুতুবশাহী মসজিদ, বরিশালের মিয়াবাড়ি মসজিদ প্রভৃতি।<span id="more-4928"></span><br />
সুরক্ষিত ঘোষিত গোটা কয়েক পুরাস্থাপনা ও প্রতœস্থলের উপস্থাপনা প্রশংসার দাবিদার; যেমনÑ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ, মহাস্থানগড়ের উত্তর-পুব কোণ, লালবাগ দুর্গ, ছোট সোনামসজিদ, শাহ নেয়ামত উল্লাহ ওয়ালীর মাজার ও মসজিদ, বালিয়াটি রাজবাড়ি, তাজহাট জমিদারবাড়ি, রানী ভবানীর প্রাসাদ, শালবন বিহার প্রভৃতি। কিন্তু অবশিষ্ট সুরক্ষিত ঘোষিত প্রতœস্থলের দশা তথৈবচ। বিশেষ করে কয়েকটি তো ইতিমধ্যে নিশ্চিহ্নই হয়েছে। কয়েকটি বেদখল হয়ে গেছে। কয়েকটিতে রয়েছে কেবল নামসর্বস্ব বিবর্ণ বিজ্ঞপ্তি ফলক। এরা যেন বলছে : এ লজ্জা ঢাকি কী করে? জানি, এর বাহাস গেয়ে শোনানো হবে, জনবল সঙ্কটসহ অর্থ বরাদ্দের অপ্রতুলতা রয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জবাবদিহিতামূলক স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এটুকুই যথেষ্ট। কিছুই করার নেই। আরো আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, বিধি-বিধানের শৃঙ্খল এবং সর্বোপরি মানবতাবোধ। দীর্ঘ সরকারি চাকরি জীবনে অনেকবার দেখেছি, (এমন সব কাজ কারবার) ঢাকা দিতে অনেক সময় অনেকের মানবতা উথলে ওঠে। তখন (অজানা কারণে) কলমের মারপ্যাঁচে একটু ভিন্ন রকম করে লেখা হয়। একে আমরা ঘটনা বা অঘটনা উভয়ই বলতে পারি। এটিই চলমান। সাম্প্রতিক একটি উদাহরণ দিচ্ছি।<br />
সম্প্রতি সরকার ঝড়ঁঃয অংরধহ ঞড়ঁৎরংস ধহফ ওহভৎধংঃৎঁপঃঁৎব উবাবষড়ঢ়সবহঃ চৎড়লবপঃ, ইধহমষধফবংয নামে পাঁচ বছর মেয়াদি (২০০৯-২০১৪) একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটির জন্য মোট বরাদ্দ রয়েছে ৫৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এ টাকার মধ্যে ৪৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা সুদে আসলে শোধ দেওয়ার শর্তে সরকার ঋণ করবে। এর বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর। প্রকল্প এলাকা দেখানো হয়েছে পাহাড়পুর ও এর আশপাশ, মহাস্থানগড় ও এর আশপাশ, কান্তজি মন্দির এবং ষাটগম্বুজ মসজিদ ও এর আশপাশের কীর্তিরাজি। এক্ষেত্রে আমাদের প্রথম প্রশ্ন হলো, অবশিষ্ট সুরক্ষিত প্রতœস্থলগুলো কী অনাথই পড়ে রইবে?<br />
থাক, যারা অনাথ ছিল; ওরা অনাথই থাক। কিন্তু যাদের আপন করে নেয়া হলো তাদের প্রতিও কি সুবিচার করা হলো? হয়নি। এ প্রসঙ্গে মূল কথায় যাওয়ার আগে বিষয়বস্তুর সহজবোধ্যতার প্রয়োজনে প্রকল্পটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে চাই। প্রকল্প দলিলে (পিপি) উদ্দেশ্য দেখানো হয়েছে চারটি। ক. টেকসই উন্নয়ন। খ. দক্ষিণ এশিয়া প্রতœতাত্ত্বিক সম্পর্ক উন্নয়ন। গ. গুরুত্বপূর্ণ প্রতœস্থলগুলোর ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রতœস্থলসহ যাতায়াতের উন্নয়ন, পর্যটকদের আকর্ষণ এবং পর্যটকদের অবস্থান দীর্ঘকরণ। ঘ. হেরিটেজ হাইওয়ে ধারণার আলোকে পর্যটক সেবার সম্প্রসারণ। অর্থাৎ পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য পুরাকীর্তিকে সম্পদ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি শুভ প্রচেষ্টা। এ প্রচেষ্টা অনেক আগেই গৃহীত হওয়া উচিত ছিল। যা হোক, দেরিতে হলেও এ উদ্যোগটি শেষ পর্যন্ত গৃহীত হওয়ায় সরকারকে জানাই সাধুবাদ। একই সঙ্গে বলি, সব শুভ প্রচেষ্টা সফল হোক। নির্মূল হোক সব অশুভ প্রয়াস।<br />
শুভ প্রয়াসটি সফল হওয়ার বা পুষ্টির জন্য কেবল দুটি সম্পূরক দিকের উদাহরণ তুলে ধরছি। এ তুলে ধরার ভিত হলো প্রকল্প দলিলের ২২ পৃষ্ঠায় বর্ণিত খড়পধঃরড়হ রিংব পড়ংঃ নৎবধশ ফড়হি. উল্লিখিত পৃষ্ঠায় কেবল পাহাড়পুর বিহারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অর্থের ভাঙন দেখানো হয়েছে। এ ভাঙনের খাতে রয়েছে খনন, কনজারভেশন, প্রতœস্থল উন্নয়ন, নতুন নির্মাণ (পুরাকীর্তি গুদাম ও রসায়নাগার, টিকেট ঘরসহ পর্যটক তথ্যকেন্দ্র, পাম্প হাউস, দর্শক ছাউনি, ডরমিটরি, ক্যাফেটরিয়া, ক্রয়কেন্দ্র এবং মসজিদ), অভারহেড ওয়াটার ট্যাঙ্ক স্থাপন, সিরামিক বিছানো পায়ে চলা পথ, সীমানা প্রাচীর, সাধারণ পার্ক স্থাপন, ছাউনিযুক্ত দর্শকদের বসার স্থান স্থাপন, বিটুমিনাস সড়ক, সড়ক বাতি, সাবমার্জাবেল পানির পাম্প, পানি নিঃসরণ, বিশ্রামাগারের উন্নয়ন, ঠেসদেয়ালসহ পুকুর খনন, জাদুঘরের উন্নয়ন, বর্তমান ড্রেন অপসারণ, বিহারের প্রদর্শনী, জরিপ-অনুসন্ধান নিবন্ধন, বিহার কমপ্লেক্সের জন্য জমি এবং অন্যান্য। লক্ষণীয়, জমি ক্রয়ের জন্য রয়েছে মাত্র ১০ লাখ টাকা।<br />
এসব ক্ষেত্রে যৌক্তিক-অযৌক্তিক বিবেচনায় বহু কথার বাতাবরণ তোলা যাবে। সেসবে যাব না। কেবল কয়টি বাস্তব দৃষ্টান্ত তুলে ধরব। প্রথমত, পর্যটন শিল্প বিকাশের অন্যতম শর্ত হলো পরিচিতির প্রচার। এ বিষয়টিকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, পর্যটকরা শুধু আরাম ভোগ করার জন্যই প্রতœস্থলে আসে না, বরং জানতে চায়। জানার মূলত তিনটি উপায়; যথাÑ বাস্তব নিদর্শনের প্রদর্শনী, অডিও-ভিডিও ব্যবস্থাপনায় ইতিহাস বিবরণ এবং প্রকাশনা (সাধারণ ও গবেষণামূলক)। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে শেষের দুটি ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হওয়া সত্ত্বেও আলোচ্য বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে অবহেলিত হয়েছে। তৃতীয়ত, সম্প্রতি দু’সদস্যবিশিষ্ট একটি বিদেশি বিশেষজ্ঞ দল সরেজমিন পাহাড়পুর ভ্রমণ শেষে পানি নিঃসরণ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি অ্যাকশন প্ল্যান দিয়ে গেছেন। সে অ্যাকশন প্ল্যানে মালঞ্চার বিল ক্রয়ের কথা বলেছে। ১০ লাখ টাকায় কি বিলটি ক্রয় করা যাবে? আর যদি না যায়, তবে পানি নিঃসরণ ব্যবস্থাকে উপলক্ষ করে প্রকল্পে যেসব অঙ্কের বরাদ্দ ধরা হয়েছে সেসব ব্যয় কি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শেষে অপব্যয়ে পরিণত হবে না?<br />
আমি ফ্রান্স ও শ্রীলঙ্কায় কয়েকটি বিশ্ব ঐতিহ্য প্রতœস্থল দেখেছি। প্রতœস্থলের ভেতর সিরামিক বিছানো হাঁটাপথ দেখিনি। আদি পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে, এমন কোনো স্থাপনাও চোখে পড়েনি। তাছাড়া বিশ্বজুড়ে এখন পুরাকীর্তি সংরক্ষণের পরিম-লে পর্যটনের সংঘাত নিরসনের হাওয়া বইছে। পর্যটনের বিকাশ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু লক্ষ রাখতে হবে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলোর দিকে। আশা করি, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিষয়টির প্রতি লক্ষ রাখবে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে ইউনেস্কো থেকে একটি প্রকাশনাও প্রকাশিত হয়েছে। আমার মনে হয়, যারা প্রকল্প দলিলটি প্রণয়ন করেছেন, তারা এ বিষয়ে যথেষ্ট সজাগ ছিলেন না!<br />
সবচেয়ে বড় কথা, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের চারপাশে আরও কয়েকটি (মহাস্থানগড় ব্যতীত) গুরুত্বপূর্ণ প্রতœস্থল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ধামুইরহাটের মঙ্গলবাড়ির গরুড় পিলার ও বটকৃষ্ণ রাজার বাড়ির (জগদল) পঞ্চায়তন মন্দির, বদলগাছির হলুদ বিহার ও পতœীতলার যোগীরঘোপা অন্যতম। এগুলোর প্রতিটিতেই আবিষ্কৃত হয়েছে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ পুরাস্থাপনা। বিশেষ করে বিহারের পশ্চিম দিকের বিশপাড়া গ্রামে রয়েছে বিভিন্ন আদিবাসীর বসবাস এবং জাদুঘরের লাগোয়া পুবদিকে রয়েছে ছয়জন মুক্তিযোদ্ধার গণকবর। পর্যটনের স্বার্থে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে এগুলোর সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। কারণ পর্যটনের বিবেচনায় পুরাকীর্তি যেমন একটি সম্পদ, আদিবাসী সংস্কৃতিও তেমনই একটি সম্পদ। আর সেজন্যই বহুকাল আগে থেকে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটি জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর পরিচালনা করে আসছে।<br />
উত্তরবঙ্গে বহু আদিবাসীর বসবাস; যথাÑ সাঁওতাল, ওঁরাও, রাজবংশী, মাহাতো, তুরী প্রভৃতি। অথচ ঐ অঞ্চলে আজ অবধি কোনো আদিবাসী জাদুঘর গড়ে ওঠেনি। আলোচ্য প্রকল্পেও সেটি বাদ পড়েছে। বাদ পড়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবহ গণকবর। অথচ অনায়াসেই এসব অনুষঙ্গকে পাহাড়পুর বিহারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে পর্যটনের স্বার্থেই সম্পৃক্ত করা যেত। আর এর জন্য যা করতে হবে, তা হলো, প্রকল্পে যেসব গৎবাধা বাড়াবাড়িমূলক কাজ ধরা হয়েছে সেগুলো বাছাই করে বাদ দেওয়া। জনগণের টাকার (ঋণ করে নিলেও জনগণকেই পরিশোধ করতে হবে) যথার্থ ব্যবহারের জন্যই এটি করা প্রয়োজন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.shaptahik-2000.com/2010/09/04/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
<!-- WP Super Cache is installed but broken. The path to wp-cache-phase1.php in wp-content/advanced-cache.php must be fixed! -->