banner ad

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী “আনন্দ উল্লাসের সারাদিন”
২০০০ প্রতিবেদন

সাপ্তাহিক ২০০০ ও পাক্ষিক আনন্দধারার চৌদ্দ বছর পেরিয়ে ১৫ বছরে পা দেয়াকে উপলক্ষ করে আয়োজিত প্রীতি সম্মিলনী পরিণত হয়েছিল নানা পেশার মানুষের মিলনমেলায়। ২৬ মে রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠান। ১৯৯৮ সালে প্রয়াত শাহাদত চৌধুরীর সম্পাদনায়  যাত্রা শুর“ করে পত্রিকা দুটি প্রায় দেড় দশক পার করল। অগণিত পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ীর সহযোগিতা, ভালবাসা আর এর কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমে এই পথচলায় এগিয়ে গেছে পত্রিকা দুটি। তাই তো সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য আয়োজন করা হয় এই প্রীতি সম্মিলনীর। দেড় দশক ধরে এই প্রীতি সম্মিলনী সবার কাছে পছন্দের একটি আয়োজন হিসেবে ¯^ীকৃতি পেয়ে আছে। কাজের অবসরে সবাই যেন একটি দিন আনন্দে মেতে ওঠার অপেক্ষায় থাকেন।

 

দিনের শুরু

রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ডেইলি স্টার ভবনের দোতলার হল রুমটিকে আগে থেকে সাজিয়ে রেখেছিলেন সাপ্তাহিক ২০০০-আনন্দধারা কর্মীরা। আমন্ত্রণপত্রে সবাইকে বলা হয়েছিল, ‘সাপ্তাহিক ২০০০ ও পাক্ষিক আনন্দধারা ১৪ বছর পূর্ণ করে ১৫ বছরে পা রাখতে যাচ্ছে। গত ১৪ বছর ধরে আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের এত দূর এনেছে। ১৫ বছরে পা দেয়ার মনোরম মুহূর্তটি আমরা তাই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, এজেন্টসহ সব শুভাকাক্সক্ষীকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। ২৬ মে সারাটা সময় শুধুই সুহৃদ এবং শুভাকাক্সক্ষীদের অন্তরঙ্গ সান্নিধ্যে কাটাতে চাই। ওইদিন আমাদের প্রিয়জন হিসেবে আপনার ইচ্ছামতো কিছুটা কিংবা অনেকটা সময় আমাদের সঙ্গে কাটিয়ে যান। আমারা আনন্দিত হব।’ অনুষ্ঠানের  সময় নির্ধারিত ছিল দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা। ১২টা বাজার আগ থেকেই অতিথিরা আসা শুরু করেন। আর প্রতিবারের মতো এবারো মাইক্রোফোন হাতে সবাইকে স্বাগত জানান জনপ্রিয় উপস্থাপক আব্দুর নূর তুষার। বেলা ১২টায়  শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা।

 

কেক কেটে শুরু

জন্মদিনের অনুষ্ঠান মানেই কেক থাকতেই হবে। আর কেক কেটেই শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। বেলা  ১টায় কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাপ্তাহিক ২০০০ ও পাক্ষিক আনন্দধারার প্রকাশক মাহফুজ আনাম, সম্পাদক মঈনুল আহসান সাবের। জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গান থাকবে না, তাই কি হয়? সংগীত তারকা ফাহমিদা নবী হ্যাপি বার্থ ডে গানটি ধরেন। আর তার সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সবাই। এ সময়  উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক এবিএম মূসা, ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি, ভাষা সংগ্রামী, লেখক আহমদ রফিক, সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক  আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, ডাকসুর সাবেক ভিপি আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না,  সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়নুল আবেদীন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম ফজলুল হক, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও লেখক  মাহবুব আলম, শিক্ষা সচিব কবি কামাল চৌধুরী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও লেখক রণজিৎ কুমার বিশ্বাস, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব কবি ড. মোহাম্মদ সাদিক, ঔপন্যাসিক আন্দালিব রাশদী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এ কে এম ফিরোজ, চলচ্চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম, অভিনেতা-বিজ্ঞাপন নির্মাতা আফজাল হোসেন, সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, শ্রমিক লীগের  সাধারণ সম্পাদক রায় রমেশ চন্দ্র, তথ্য কমিশনার সাদেকা হালিম, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ, ডিএমপির তেজগাঁও ডিভিশনের ডিসি মোহাঃ ইমাম হোসাইন, উপ-পুলিশ কমিশনার আলী ইমাম, আবাসন কোম্পানি শেলটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক এম সেরাজ , সংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর, ফাহমিদা নবী, কুমার বিশ্বজিৎ, নারীনেত্রী ফরিদা আখতার, বিরোধীদলীয় নেত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর, বিরোধীদলীয় নেত্রীর প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল, বিএনপির তথ্য কর্মকর্তা শাহেরুল কবির, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, জয়š— চট্টোপাধ্যায়, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রোজিনা, নারী উদ্যোক্তা বিউটিশিয়ান কানিজ আলমাস খান, নাট্যকার বৃন্দাবন দাস, ফারহানা খুশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক  মোমেনুর রসুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার আশরাফুল ইসলাম, বাংলাভিশনের হেড অব প্রোগ্রাম শামীম শাহেদ, আবৃত্তিকার ও উপস্থাপক শারমিন লাকী, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ইউনিট্রেন্ডের চেয়ারম্যান মুনীর আহমেদ খান, লেখক মাহবুব তালুকদার, হাবিবুল্লাহ সিরাজী, কবি শাহাবুদ্দিন নাগরী, মাকিদ হায়দার, ভি-নিউজের সম্পাদক জয়ন্ত আচার্য, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেহেদি

হাসান, সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ,

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফাহাদ ইউসুফ প্রমিত প্রমুখ।

 

আরো যারা শুভেচ্ছা জানান

দুপুর ১২টার আগে থেকে অতিথিদের আসা শুরু হলেও এটা অব্যাহত ছিল সন্ধ্যা পর্যন্ত। সবাই যার যার সুবিধামতো অনুষ্ঠানস্থলে এসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিছুটা সময় কাটিয়ে গেছেন। সারাদিনে শুভেচ্ছা জানাতে আসা অতিথিদের তালিকায় আরো ছিলেন সাবেক তত্তাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ, আবদুল্লাহ আল কায়সার এমপি, সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির

সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট  জেনারেল  মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক এএসএম সামছুল আরেফীন, শ্রীপুর উপজেলার চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন সবুজ, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহসম্পাদক কাজী মিজানুর রহমান মিন্টু, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুল মতিন, আবদুল্লাহ আল কায়সার এমপি, ড. সায়েম, কবি হাসান হাফিজ, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, এনটিভির প্রধানবার্তা সম্পাদক খায়র“ল আনোয়ার মুকুল, এবিসি রেডিওর চিফ রিপোর্টার মোর্শেদ নোমান, মাস্টহেড পিআর-এর মিডিয়া ম্যানেজার রাশিদুল মজিদ মামুন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং তার স্ত্রী বহ্নিশিখা জামালী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশের পরিচালক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের পক্ষে  ফজলুল হক খান, এফডিসির এমডি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়,  কবি কাজী রোজী, কবি আসলাম সানী, রুবি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুহম্মদ জাহাঙ্গীর, টিভি তারকা মোনালিসা, ফারাহ র“মা, ইমি, চলচ্চিত্র তারকা আমিন খান, বিজ্ঞাপন নির্মাতা নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

 

অ্যাপ্যায়ন ও বিনোদন

ফুলেল শুভেচ্ছার পর সবাই হালকা নাশতা শেষ করেন। আপ্যায়নের জন্য ২০০০-আনন্দধারা পরিবারের পক্ষ থেকে ছিল বরাবরের মতোই ব্যতিক্রমী আয়োজন। লুচি, ডাল, সবজি, মাংস, মিষ্টি, নাড়ু-মুড়ি-মুড়কিসহ নানা আয়োজন। পাশাপাশি নেসলে বাংলাদেশের সৌজন্যে ঠাণ্ডা চা নেস টি। নাশতার পরে চলে চুটিয়ে আড্ডা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা ২০০০ প্রতিনিধিরাও ঢাকা অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গ পেয়েছেন দীর্ঘদিন পর। আর সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের বাসিন্দাদের অনেকের মধ্যে দেখার উপলক্ষ করে দিয়েছিল অনুষ্ঠানটি। তাই আড্ডা জমতে দেরি হয়নি।

এই আড্ডায় অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে চমৎকার সব গান। কেক কাটা পর্ব শেষ হতেই সংগীতশিল্পী সেঁজুতির কণ্ঠে চমৎকার সব গান দিয়ে শুরু হয় সাংস্কৃতিক আয়োজন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে সংগীতশিল্পী কণা, নির্ঝর, রিংকু, সাব্বির, মুহিন, কিশোর, শফিক তুহিনসহ আরো অনেকের গান বিমোহিত করে উপস্থিত সবাইকে।

 

শুভেচ্ছার পালা

অনুষ্ঠানে আসা বিশিষ্টজনরা শুভেচ্ছা বক্তব্যে  সাপ্তাহিক ২০০০ ও পাক্ষিক আনন্দধারার শুভকামনা করেন। শুভেচ্ছা জানান ২০০০-আনন্দধারা পরিবারকে। আহŸান জানান  বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক সংবাদ পরিবেশন করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধের ধারাকে অব্যাহত রেখে এবং সাধারণ মানুষের কথা প্রকাশে সাহসী থাকার আহবান ছিল অনেকের মুখে।  সব সময়ের মতো নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ধারা অব্যাহত রাখার কথাও বলেন কেউ কেউ।

অনেকেই প্রশংসা করেন তারুণ্যের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক ২০০০-আনন্দধারার ভূমিকার। অনুরোধ জানান এই ধারা অব্যাহত রাখার।

আর ¯^াগত বক্তব্যে সাপ্তাহিক ২০০০ এবং আনন্দধারার প্রকাশক, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম পত্রিকার পাঠকদের পত্রিকার প্রাণ হিসেবে উল্লেখ করে পত্রিকার দীর্ঘ পথচলা ও সফলতার অংশীদার সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি মনে করেন পত্রিকা পাঠকরা গ্রহণ করেছে বলেই পত্রিকা দুটি সফল। আর পাঠকের গ্রহণযোগ্যতার কারণেই ২০০০ ও আনন্দধারা সফল ও প্রভাবশালী পত্রিকা হিসাবে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

সাপ্তাহিক ২০০০ এবং আনন্দধারার  সম্পাদক মঈনুল আহসান সাবের অনুষ্ঠানে আসা সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সবার পরামর্শকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনটিতে সব সহকর্মী, প্রকাশক  ও অতিথিদের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানান সম্পাদক।

নেপথ্যের কারিগরদের কথা

সাপ্তাহিক ২০০০-আনন্দধারার এই প্রীতি সম্মিলনীটি  সবার কাছে আকর্ষণের একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কারণে এটি নিয়ে এই পরিবারের ভাবনার পরিমাণও বেশি। অনুষ্ঠানটি এক দিনের হলেও এর পেছনে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা আর পরিশ্রম। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর তারিখ নির্ধারণ হওয়ার পর থেকেই  প্রয়োজনীয় আলোচনা আর বাস্তবায়নে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন জেনারেল ম্যানেজার শামসুল আলম। আর সাপ্তাহিক ২০০০-এর প্রধান প্রতিবেদক খোন্দকার তাজউদ্দিনের নেতৃত্বে কর্মীবাহিনী কাজে নেমে পড়লেন বিপুল উৎসাহ নিয়ে। আলোকচিত্র সাংবাদিক সুদীপ্ত সালাম, সিনিয়র রিপোর্টার আবদুল্লাহ নূহ, শানজিদ অর্ণব, ফয়জুল সিদ্দিকী, জেড এম সাদ রাতদিন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির কাজে মেতেছিলেন। ক্লান্তিহীন সময় কাটিয়েছেন তারা। এজিএম মার্কেটিং সামিউল ইসলামের নেতৃত্বে বিজ্ঞাপন বিভাগও ছিল সব সময় তৎপর।

মন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, লেখক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিকসহ সমাজের সব ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো, অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা, আপ্যায়নসহ নানা কাজের চাপে হিমশিম খেলেও হাসিমুখে কাজ করেছেন সবাই।

 

স্মরণে শাহাদত চৌধুরী

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনটি অতিথিদের অনেকের মুখেই ছিল পত্রিকা দুটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শাহাদত চৌধুরীর নাম। বাংলাদেশে সংবাদ ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবে নিজেকে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই সাংবাদিকের কথা উঠে এসেছে অনেকের কথায়। সাপ্তাহিক বিচিত্রার মাধ্যমে দেশের গণমাধ্যমে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করা শাহাদত চৌধুরী সাপ্তাহিক ২০০০ এবং আনন্দধারার মাধ্যমে সময়োপযোগী আধুনিক মনস্ক আরেকটি যাত্রা শুরু করেছিলেন বলে মন্তব্য করেন তারা। শাহাদত চৌধুরীর আদর্শ অনুযায়ীই সাপ্তাহিক ২০০০ এগিয়ে চলছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও তাদের প্রত্যাশা।

 

বিশেষ কৃতজ্ঞতা

নেসলে বাংলাদেশ

বরাবরের মতো এই অনুষ্ঠানটিতে সহযোগিতা এবং পৃষ্ঠপোষকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে নেসলে বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে আসা অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে উপভোগ করেছেন নেসলে বাংলাদেশের নতুন পণ্য নেস টি। গরম থেকে এসে হিমশীতল আইস নেস টি পান করে প্রশংসা করেছেন নতুন এই পণ্যের। আর ফিরে যাওয়ার পথে প্রত্যেকেই নেসলের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন দুই বক্স নেস ফ্রুটো ড্রিঙ্কস। অনুষ্ঠানস্থলে সব সময়ই তৎপর ছিলেন নেসলে বাংলাদেশের স্যাম্পলিং টিম। তারা অতিথিদের হাতে তুলে দিয়েছেন নেস টির কাপ অথবা ফেরার সময় নেস ফ্রুটোর বক্স। নেসলে বাংলাদেশের বেভারেজ শাখার ব্র্যান্ড ম্যানেজার গালিব বিন মোহাম্মদ জানান, সাপ্তাহিক ২০০০ ও পাক্ষিক আনন্দধারায় এই অনুষ্ঠানটি সবার পছন্দের একটি অনুষ্ঠান। আর এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে নেসলে আনন্দিত।

বিভাগ: প্রচ্ছদ

RSSকমেন্টস (0)

Trackback URL

আপনার মন্তব্য



ওয়েব সাইট

আপনার কমেন্টের সাথে যদি ছবি প্রকাশ করতে চান, এখান থেকে ছবি সংগ্রহ করুন.