দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।
দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।
মাদক শব্দটির সঙ্গেই যেন জড়িয়ে আছে অবসাদ। মাদকসেবী অবসাদগ্রস্ত মানুষকে দেখতে দেখতে এখন বিশ্বব্যাপী এমন এক মনোজগৎ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে মাদক আর অবসাদ সমার্থক। মাদক বর্তমান বিশ্বের কোনো জাতীয় বা আঞ্চলিক সমস্যা নয়। সর্বগ্রাসী মাদক এখন এক আন্তর্জাতিক সমস্যা। বিশ্বের শক্তিধর বা শক্তিহীন সব রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নিয়ত সংগ্রামশীল। মাদকের এই সর্বগ্রাসী দানবীয় রূপ একদিনে সৃষ্টি হয়নি। এর পেছনে আছে দীর্ঘ সময়, মানুষের উদগ্র লোভ, ক্ষমতালিপ্সা এবং যুদ্ধ ও হানাহানি। (আরও…)
অম্ল-মধুর ন্যাটওয়েস্ট সিরিজ
জাহিদ চৌধুরী
নটিংহ্যামে ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের হারের পর ইংলিশ মিডিয়া লিখেছিলÑ ইংল্যান্ড তুলে নিয়েছে তাদের কাক্সিত জয়। ব্রিস্টলে দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের হারের পর দেশটির মিডিয়া লিখেছিলÑ বাংলাদেশ পেল ঐতিহাসিক জয়। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে হারের পর ইংলিশ মিডিয়া লিখলÑ বাংলাদেশ ফিরে পেয়েছে তার আসল চেহারা, সঙ্গে আরও কিছু ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য। ইংলিশ মিডিয়া মোটেও বাড়াবাড়ি করেনি। কারণ, মাত্র আগের ম্যাচে জিতে পরের ম্যাচেই আবার ১৪৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হার! তাহলে অঘটন কোনটি? বাংলাদেশের জয় নাকি বাকি দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার! উত্তরটা সিরিজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দিয়েছে ইংলিশ মিডিয়া। বাংলাদেশের জয়টাই বড় অঘটন, সঙ্গে আরেকটি কটূক্তিও শুনতে হয়েছিল সিরিজ শেষে। দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বাজে পারফরম্যান্সের সুযোগে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ! ইংলিশ মিডিয়ার এমন তির্যক মন্তব্য অবশ্যই প্রতিবাদযোগ্য। কিন্তু পুরো সিরিজের ময়নাতদন্ত করলে কী দাঁড়ায়? বড় ব্যবধানে হারা দুই ম্যাচই রূঢ় বাস্তবতা। কিন্তু এভাবে আর কতদিন! বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলছে ২৪ বছর ধরে। কখনই পারফরম্যান্সে ধারাবাহিক শব্দটার প্রয়োগ করতে পারেনি টাইগাররা। সর্বশেষ প্রমাণ এই ইংল্যান্ড সফর। বাংলাদেশ দলের অবস্থা হয়েছে গল্পের সেই দৈত্যের মতো, যে দুবছরে একবার জেগে ওঠে, বাকিটা সময় ঘুমায়। বাংলাদেশের দুযুগের পারফরম্যান্স বিচার করলে গল্পের দৈত্যের উপস্থিতি ভালোমতোই পাওয়া যাবে। ১৯৮৬ সালে প্রথম ওয়ানডে খেলার পর ১২ বছর পর প্রথম ওয়ানডে জয় পায় কেনিয়াকে হারিয়ে। তারপর ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে পুরো ক্রিকেট দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছিল টাইগাররা। তারপর আবার ঘুম, সেই ঘুমে কেটে গেল চার বছর।
পাকিস্তানকে হারানোর পর জয়ের জন্য অপো করতে হয়েছিল ২০০৪ সাল পর্যন্ত। সেবার জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছিল হাবিবুল বাশার সুমনের বাংলাদেশ। তারপর আবার ঘুম, আবার লম্বা সময় পর জেগে ওঠা, এভাবেই চলছে টাইগারদের ওয়ানডে মিশন। এর সর্বশেষ সংযোজন ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফর। প্রথম ম্যাচে নটিংহ্যামে আগে ব্যাট করা মাশরাফির দলের ২৫০ রানের টার্গেটকে মামুলি বানিয়ে জয় তুলে নেয় স্বাাগতিকরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রিস্টলে আগে ব্যাট করতে নেমে ২৩৬ রানে আটকে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় ২৩১ রানে। ইংলিশদের বিপে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম জয় আসে বাংলাদেশের। একই সঙ্গে এই জয়ে পূর্ণ হলো টেস্ট পরিবারের সব দেশকে হারানোর টার্গেট। কিন্তু পরের ম্যাচেই সব অজর্নকে ম্লান করে দিলো টাইগাররা। বার্মিংহ্যামে টস জিতে আগে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় সফরকারীরা। ১ রানের মাথায় প্রথম উইকেটের পতন ঘটিয়ে অধিনায়ক মাশরাফি নিজেই ‘অন্য রকম’ দিনের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু পূর্বাভাস সেখানেই থেমে গেছে। বাস্তবতা হলো দিনটা ছিল ইংল্যান্ডের, যেখানে বাংলাদেশের ভূমিকা শুধুই দর্শকের। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ২৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুললেন অ্যান্ড্রু স্ট্রস ও ট্রট, যা ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পার্টনারশিপ। দুজনেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন। স্বাগতিকদের স্কোর বোর্ডে জমা পড়ল ৩৪৭ রান। এখানেও রেকর্ডÑ এটা ইংলিশদের ওয়ানডেতে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। ২০০৫ সালে বাংলাদেশের ইংল্যান্ড সফরের কথা যারা ভুলে গেছেন তারা হয়তো বলবেন তৃতীয়.. প্রথম তো নয়! তাদের উদ্দেশে বলা, ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ওয়ানডে সংগ্রহ (৩৯১) বাংলাদেশের বিপইে।
জবাব দিতে গিয়ে খুঁজেই পাওয়া যায়নি দ্বিতীয় ম্যাচের বাংলাদেশকে। বরং টাইগারদের বিবর্ণ ব্যাটিং দেখলো বার্মিংহ্যামের দর্শকরা। ইংলিশ বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তামিম, সাকিব, আশরাফুলরা। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ কমালেন হারের ব্যবধান। ইংল্যান্ড সফরের আগে এশিয়া কাপে বাংলাদেশকে সামনে পেয়ে পাকিস্তান গড়ল নিজেদের সর্বোচ্চ ইনিংস। এবার ইংল্যান্ডও এক হাত নিল বাংলাদেশের বোলারদের। কিন্তু এভাবে আর কতদিন! ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর পর ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মন্তব্য ছিল, নতুন বাংলাদেশ হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে। কিন্তু সুপার এইটেই আবার দেখা গেল আগের বাংলাদেশকে। যদিও দণি আফ্রিকাকে হারিয়েছিল সেই পর্বে। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের কাছেও হেরেছিল টাইগাররা। সুযোগ পেয়েও ধারাবাহিকতার প্রয়োগ তখনো করতে পারেনি হাবিবুল বাশারের বাংলাদেশ। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের পরপরই আবার ভারত এসেছিল বাংলাদেশ সফরে। সিরিজে ওয়ানডে ও টেস্ট দুটোতেই টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ করে টিম ইন্ডিয়া জানিয়ে দিয়েছিল, বিশ্বকাপে যা ঘটেছে সেটা ছিল পুরোপুরি অঘটন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা ভালো খেলতে পারিনি বলেই তোমরা জিতেছিলে, হোয়াইটওয়াশই তোমাদের প্রাপ্য। কিন্তু কেন এই অবস্থা! বারবার ক্রিকেট বিশ্লেষকরা তাগিদ দিয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো আরো শক্ত করার জন্য। টেস্ট পরিবারে বাংলাদেশের বয়স এখন ১০ বছর। এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পারেনি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটকে একটি মজবুত কাঠামোর ওপর দাঁড় করাতে।
ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া কিংবা উপমহাদেশের দল ভারত, শ্রীলঙ্কায় ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে তবেই জাতীয় দলে জায়গা করে নেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু বাংলাদেশে এর উল্টো উদাহরণ আছে অনেক। ঘরোয়া ক্রিকেট না খেলেও অনেকে বয়সভিত্তিক দল থেকেই জায়গা পেয়ে গেছেন জাতীয় দলে। প্রতিবছর বেশ ঘটা করেই দেশের একমাত্র ফার্স্ট কাস ক্রিকেটের আসর জাতীয় ক্রিকেট লীগ আয়োজন করে থাকে বিসিবি। কিন্তু সেখান থেকে প্রাপ্তি নিয়ে খুব একটা মাথাব্যথা নেই আয়োজকদের। তারা যতটা মনোযোগী আন্তর্জাতিক আয়োজনে, ঠিক ততটাই অনুদার ঘরোয়া আয়োজনের দিকে। ফলে দেখা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার সঙ্কট, যার সর্বশেষ প্রমাণ ইংল্যান্ড সফরের এই দলটা। দীর্ঘসময় ফর্মে নেই মোহাম্মদ আশরাফুল, এশিয়া কাপের পর ঘোষিত দল থেকে বাদ দেওয়া হলো ফর্মের কারণে। ইংল্যান্ড সফরে হঠাৎ করেই প্রথম ওয়ানডেতে ইনজুরিতে পড়েন রকিবুল হাসান। এরপরই নির্বাচকদের অসহায়ত্ব প্রকাশ পেল। রকিবুলের বিকল্প খুজঁতে গিয়ে কাউকে পাওয়া গেল না। আবার সেই আশরাফুলকেই বেছে নিতে হলো। নির্বাচকদের উত্তরও সোজাসাপ্টা, এই মুহূর্তে ইংলিশ কন্ডিশনে খেলার মতো ক্রিকেটার আশরাফুল ছাড়া আর কেউ নেই। সুতরাং শেষ ভরসা আশরাফুলেই। বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে দলের স্কোর বোর্ডে জমা দিলেন (১৩+১৪) ২৭ রান! নির্বাচকদের এই অসহায়ত্বেই ফুটে ওঠে বাংলাদেশের ক্রিকেটের দৈন্যদশা। কিন্তু এভাবে আর কতদিন ঘুমাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট?
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ
অভিষেক ৩১.০৩.১৯৮৬
মোট ম্যাচ ২২৭
জয় ৫৬
হার ১৬৯
জয়ের হার ২৪.৬৭ শতাংশ
পরাজয়ের হার ৭৪.৪৫ শতাংশ
সর্বোচ্চ দলীয় ইনিংস ৩২০/৮, প্রতিপ জিম্বাবুয়ে
সর্বনিম্ন দলীয় ইনিংস ৭৪, প্রতিপ অস্ট্রেলিয়া
সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান ৩,৩৫৩ (মোহাম্মদ আশরাফুল)
সর্বোচ্চ উইকেট ১৪২ (মোর্তুজা, আবদুর রাজ্জাক)
ওয়ানডে ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ ৫ সংগ্রহ
স্কোর ওভার প্রতিপ ভেন্যু বছর
৩৯১/৪ ৫০ বাংলাদেশ ট্রেন্টব্রিজ ২০০৫
৩৬৩/৭ ৬০ পাকিস্তান ট্রেন্টব্রিজ ১৯৯২
৩৪৭/৭ ৫০ বাংলাদেশ এজবাস্টন ২০১০
৩৪০/৬ ৫০ নিউজিল্যান্ড নেপিয়ার ২০০৮
৩৩৪/৪ ৬০ ভারত লর্ডস ১৯৭৫
টেস্ট দলের বিপে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়
প্রতিপক্ষ ব্যবধান ভেন্যু সাল
পাকিস্তান ৬২ রান নর্দাম্পটন, ইংল্যান্ড ১৯৯৯
জিম্বাবুয়ে ৮ রান হারারে ২০০৪
ভারত ১৫ রান ঢাকা ২০০৪
অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেট কার্ডিফ, ইংল্যান্ড ২০০৫
শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেট বগুড়া ২০০৬
দণি আফ্রিকা ৬৭ রান গায়ানা ২০০৭
নিউজিল্যান্ড ৭ উইকেট ঢাকা ২০০৮
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫২ রান ডমিনিকা ২০০৯
ইংল্যান্ড ৫ রান ব্রিস্টল ২০১০
বিআরটিএ দুর্নীতিবাজদের আখড়া দীর্ঘদিন ধরে। এখানে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ভুক্তভোগীরা বলাবলি করে এখানকার ইট-পাথরও ঘুষ খায়। জানা গেছে, ঢাকা থেকে নিবন্ধন নেয়া যানবাহনের মধ্যে ৮০ হাজার চলছে এখন ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া। এতে সরকার বছরে রাজস্ব হারাচ্ছে ১৩ কোটি ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সারাদেশে ১ লাখ ৩৫ হাজার লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে, যা অবৈধ। এসব লাইসেন্স টেম্পো, বাস, মোটর গাড়ি চালক, প্রাইভেট কার চালকরা ব্যবহার করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, বৈধ উপায়ে লাইসেন্স পেতে হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতার শিকার হতে হয়। তাছাড়া হেলপার ও কন্ডাক্টররা দ্রুত লাইসেন্স পাওয়ার জন্য অবৈধ উপায়ে তা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে। অবৈধ উপায়ে লাইসেন্স সংগ্রহকারী মফস্বলে স্কুটার, ভটভটি ও সিএনজি চালায়। তাছাড়া লোকাল বাসের হেলপার ও কন্ডাক্টর হিসাবে কাজ করে। রাজধানী ঢাকায় প্রাইভেট গাড়ি চালকদের একটি বড় অংশ অবৈধ লাইসেন্স হোল্ডার। বিআরটিএ দালালরা মাত্র ৩ থেকে ৫ হাজার টাকায় এই নকল লাইসেন্স সংগ্রহ করে দেয়। (আরও…)
হালকা-পাতলা গড়নের ২৫/২৬ বছরের তুর্কি যুবক উমেদ। মানুষকে আপন করে নিতে তার জুড়ি নেই।
আঙ্কারা শহরের কাছেই এক গ্রামে সে ডালায় খোরমা সাজিয়ে ফেরি করে বিক্রি করত। টোকিওতে থাকার সময় আমাদেরকে ডান হাত উঁচু করে ‘দাঁতে দাঁতে’ (খোরমা, খোরমা) বলে চিৎকার করে পুরনো দিনের গল্প শোনাও। তার পঁয়তাল্লিশ বছর বয়স্ক বাবা আবার বিয়ে করেছে ৩০ বছরের তুর্কি মহিলাকে। মা মারা যাওয়ার পর উমেদ জাপানে চলে আসে। তার ছোট ভাই জার্মানিতে চলে গেছে। সে জার্মানিতে ফেডারেল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল ফায়ার আর্মস রাখার অপরাধে।
উমেদ জাপানে আসার আগে ইতালিতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। তার ছোট চাচা ছিল আদমবেপারি। অনেক তুর্কি যুবককে নিয়ে উমেদ এবং উমেদের চাচাত ভাই আঙ্কারা সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাল থেকে বাসে তু হয়ে ইস্তাম্বুল পেরিয়ে প্লোভডিভ দিয়ে মেসিডোনিয়া হয়ে ১৯ ঘণ্টার যাত্রা শেষ করেছিল ইতালির বারির বিপরীতে সমুদ্রকূলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে। (আরও…)
আগামীতে যা আসছে
থ্রিডি গেমিং ল্যাপটপ
গেমিং ডেস্কটপের পর এবার লেনোভো নিয়ে আসছে ওফবধঢ়ধফ ণ৫৬০ফ কোরআই ৭ থ্রিডি গেমিং ল্যাপটপ। ল্যাপটপটি ১৫.৬ ইঞ্চি। এটাই লেনোভোর প্রথম থ্রিডি মাল্টিমিডিয়া ল্যাপটপ। হাইডেফিনেশন ১৬.৯ ইঞ্চি ওয়াইড স্ক্রিন, মুগ্ধ হওয়ার মতো অডিও সিস্টেম। ওজন ৬ এলবিএস। এই গেমিং ল্যাপটপটিতে ট্রাইডেফ থ্রিডি টেকনোলজি, থ্রিডি গ্ল্যাস ও থ্রি-ডাইমেনশনাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। রয়েছে ভিডিও এবং অডিও প্লেব্যাক ও ডলবি হোম থিয়েটার সাউন্ড। দ্রুতগতির উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমে রান করবে। এতে আছে সর্বাধুনিক প্রসেসর কোরআই ৭, ৪ গিগাবাইট ডিডিআরথ্রি র্যাম, ৫শ জিবি হার্ডড্রাইভ, ব্লুটুথ। এ মুহূর্তে লেনোভোর এই গেমিং ল্যাপটপটিতে ২০ শতাংশ কম দামে একটি অফার ছাড়া হয়েছে। যোগাযোগ করতে পারেন িি.িমধফমবঃষরঃব.পড়স এই ওয়েবসাইটে। ২০ শতাংশ বাদ দিয়ে দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ২৭৫ ডলার। (আরও…)