সাপ্তাহিক ২০০০ | সারাদেশ | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:45 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।

সাপ্তাহিক ২০০০ | সাক্ষাৎকার | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:44 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।

সাপ্তাহিক ২০০০ | অনলাইন | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:41 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।

সাপ্তাহিক ২০০০ | প্রবাসের চিঠি | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:34 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।

সাপ্তাহিক ২০০০ | খেলা | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:29 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

দু:খিত, এই সংখ্যায় কোন সংবাদ নেই।

প্রচ্ছদ

সাপ্তাহিক ২০০০ | প্রচ্ছদ প্রতিবেদন | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:23 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

বর্ষ ১৩ সংখ্যা ০৭

অঘটনেরবিশ্বকাপ

সাপ্তাহিক ২০০০ | প্রচ্ছদ প্রতিবেদন | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:17 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭

সবচেয়ে বড় অঘটন কোন দেশ ঘটালÑ সুইজারল্যান্ড স্পেনকে হারিয়ে নাকি সার্বিয়া জার্মানিকে হারিয়ে? দু’দেশকেই এগিয়ে রাখি। স্পেন ও জার্মানির বিপক্ষে তারা যেভাবে লড়েছে তা বিশ্বকাপ ইতিহাসের অংশ এখন
রাশেদ রায়হান ও মিশায়েল আহ্মাদ

গোলের খেলা ফুটবল। যত বেশি গোল তত বেশি উত্তেজনা। আনন্দ-উল্লাস। বিশ্বকাপ মানে বিশ্বের সেরা দলগুলোর অংশগ্রহণ। সেরা খেলোয়াড়দের লড়াই। বিশ্বকাপ হলে দর্শকরা মনে মনে তৈরি হন পরিচিত বা নামি খেলোয়াড়দের খেলা দেখতে। দুর্দান্ত গোল, ডিফেন্সচেরা পাস, অসাধারণ ট্যাকল বা অবিশ্বাস্য সেভ দেখতে। এবারের বিশ্বকাপও তার ব্যতিক্রম হবে এমন ধারণা কারো ছিল না। দর্শক অ্যানেলকা, ভ্যান পার্সি, টোরেস, রুনি, ফ্যাবিয়ানো, জিলার্দিনোর গোলোৎসব দেখতে তৈরি ছিল। সঙ্গে ল্যাম্পার্ড, পিরলো, রিবেরি, রোনালদোর বুদ্ধিদীপ্ত পাসগুলো ছিল গোলের উপাত্ত। নতুন মহাদেশে বিশ্বকাপ। (আরও…)

বিশ্বকাপ কাঁপাচ্ছে ভুভুজেলা
জাহিদ চৌধুরী

সাপ্তাহিক ২০০০ | প্রতিবেদন | শুক্রবার 25 জুন 2010 11:11 অপরাহ্ন ১১ আষাঢ় ১৪১৭


আফ্রিকার ঐতিহ্য অনুযায়ী গ্রামবাসীরা যখন বিশেষ উৎসবে মিলিত হতো তখন এক ধরনের বাঁশি বাজানো হতো। কালের বিবর্তনে এর নামকরণ করা হয় ভুভুজেলা। আফ্রিকার জুলু ভাষা থেকেই বেছে নেয়া হয়েছে এ শব্দ। সেখান থেকে একটি পর্যায়ে তা ব্যবহৃত হতে লাগল সাইকেলের হর্ন হিসাবে। একই সঙ্গে গ্রাম বা মহল্লার খেলায় নিজ নিজ দলকে উৎসাহ দিতে এ বিশেষ বাঁশি নিয়ে হাজির হতে লাগল সমর্থকরা। এরপর ধীরে ধীরে গ্রাম থেকে শহরের মাঠে ঢুকে পড়ে ভুভুজেলা। এক সময় দণি আফ্রিকার স্টেডিয়ামগুলোতেও দেখা যেতে লাগল বিশাল আকৃতির এই বাঁশি। সব মিলিয়ে আফ্রিকার ঐতিহ্যের অংশে পরিণত হয়েছে এই বিশেষ বাঁশি। আর এখন ভুভুজেলা ছাড়া একজন দণি আফ্রিকান ফুটবল খেলা দেখতে যাবেন সেটা কল্পনা করাই কঠিন ! কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে ভুভুজেলার ব্যবহারে নাভিশ্বাস উঠেছে আফ্রিকার বাইরে থেকে আসা খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ পর্যটকদের। এই বাঁশি মাঠে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে ফিফার কাছে নালিশ করেও কোনো ফল পায়নি দলগুলো।
আপনি যদি এবারের বিশ্বকাপে একটি ম্যাচও টিভিতে দেখে থাকেন, তবে নিশ্চয়ই টের পেয়ে গেছেন ভুভুজেলা কী জিনিস ! ঠিকমতো আপনার কানে আসছে না ধারাভাষ্যকারের আওয়াজ। এবার চিন্তা করুন যারা মাঠে খেলছে তাদের কী অবস্থা! (আরও…)