প্রচ্ছদ

বর্ষ ১২ সংখ্যা ৪৬

বর্ষ ১২ সংখ্যা ৪৬
ফরিদপুর শহর পতনের পর পাকবাহিনীর বিশাল একটি সৈন্যদল নিয়ে ২৪ এপ্রিল সড়কপথে বরিশালের দিকে রওনা দেয়। ভুরঘাটায় এই সৈন্যদল ব্যাপক বাধার সম্মুখীন হয়। কটকস্থলের যুদ্ধে চারজন মুক্তিবাহিনী ও বেশকিছু পাক আর্মি হতাহত হয়। নদীপস্মৃতি-’৭১
একাত্তরে হানাগার পাকবাহিনীর গণহত্যার দুঃসহ স্মৃতিতে এখনও শিউরে ওঠে
বাঙালি। বিশ্ব বিবেককে স্তম্ভিত করা সেই গণহত্যার কথা আবারও তুলে
ধরেছেন আমাদের সারাদেশের প্রতিনিধিরা (আরও…)

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এ এক সাধারণ দৃশ্য। ঝড়ে বৃষ্টিতে বা যেকোনও কারণেই মাটিতে পড়ে থাকা এ বৈদ্যুতিক তারগুলো নিয়ে কারও কোনও মাথাব্যথা নেই। অলিগলি ও মূল সড়কে এভাবেই দিনের পর দিন ছেঁড়া তার
জট পাকিয়ে পড়ে থাকে। এগুলোর ওপর দিয়ে যানবাহন ও লোকজন চলাচল করছে। যেকোনও সময়
ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। ছবিটি টঙ্গী ডাইভারশন রোড থেকে তোলা- সুদীপ্ত সালাম
শিরোনামের সংবাদটি যথার্থ ছিল না। কিন্তু যথেষ্ট উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছিল। ২৮ মার্চ ১৯৭১ সালে কলকাতার ইংরেজি ‘দৈনিক অমৃত বাজার’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটির অংশ বিশেষের অনুবাদ :
আগরতলা, মার্চ ২৭ : দুদিনের ক্রমাগত মৃত্যু ও ধ্বংসের পর পূর্ব পাকিস্তান গণযুদ্ধের পরিস্থিতি আজ রাতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে তিনটি প্রধান ক্যান্টনমেন্ট ঢাকা, (আরও…)
[২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে নৃশংস সেনা অভিযান। ২৭ মার্চ থেকে অবিরাম ঘোষণা সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে এসেছে কিংবা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। এমনকি ডিসেম্বরে যখন পাকিস্তান বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে এসেছে তখনও স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ দলিলপত্র থেকে বাছাই করে নেওয়া কয়েকটি চিঠি এই দাবির অসারতা প্রকাশ করবে। চিঠিগুলো ইংরেজি থেকে অনূদিত] (আরও…)
‘সাধারণ কোনও ব্যক্তি নয়, ভুলতে ভুলতে মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডারকেই ভুলে গেলাম আমরাÑ বিষয়টা জাতির জন্য যেমন লজ্জাকর তেমনি বিস্ময়কর। অথচ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এখন রাষ্ট্রমতায়। এরপরও সেই মানুষটি দারুণভাবে উপেতি, রাষ্ট্রীয় কোনও আচার-অনুষ্ঠানে তার নামটি পর্যন্ত উচ্চারিত হয় না, অনেকেই চেনেন না তাকে।’ (আরও…)

হানাদার বাহিনী প্রচ- গোলাগুলি, ধ্বংসযজ্ঞ ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বিলোনিয়ার ভারতীয় সীমান্ত পর্যন্ত এসে আসন গেড়ে বসে। তার আগেই অবশ্য সমগ্র এলাকার জনগণ জীবন ও সম্ভ্রম বাঁচানোর স্বাভাবিক তাগিদে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে, বিশেষ করে বিলোনিয়া শহরে এসে আশ্রয় নেয়। বিলোনিয়া শহর তখন পূর্ব বাংলার মুক্তিযোদ্ধা এবং সাধারণ জনগণে ভরে গেছে। (আরও…)

বগুড়ার বাবুরপুকুরে নির্মিত হচ্ছে ১৪ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মারক ভাস্কর্য। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই শহীদদের যেখানে গণকবর দেওয়া হয়েছিল সেখানেই নির্মিত হচ্ছে এটি। বগুড়া আর্ট কলেজের ভাস্কর্য বিভাগের শিক্ষক অণিক রেজা এই স্মারক ভাস্কর্যটির নির্মাণ করছেন। টেন্ডারের মাধ্যমে আহ্বান করা শিল্পী ভাস্কর অণিক রেজার নকশাটি গ্রহণ করে বগুড়া জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। (আরও…)