প্রচ্ছদ

বর্ষ ১২ সংখ্যা ৩৪
প্রচ্ছদ ছবি : সুদীপ্ত সালাম

বর্ষ ১২ সংখ্যা ৩৪
প্রচ্ছদ ছবি : সুদীপ্ত সালাম
কাজ থেকে ট্রেনে বাসায় ফেরার পথে, ট্রেনের একটা ‘জানালা’ বিজ্ঞাপনে চোখ আটকে যায়। ছবিতে একদঙ্গল এতিম আদুরে কুকুরছানা- এরা নিজেদের জন্য ঘর চায়। নর্থ শোর এনিমেল লীগের স্পন্সর। কাগজে ফোন নাম্বার টুকে নেই। জীবনে একদম নিঃসঙ্গ প্রবাস। (আরও…)
ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধে বাজার ছেয়ে গেছে। এর জ্বলন্ত উদাহরণ কয়েক মাস আগে রিড ফার্মা নামে একটি কোম্পানির ভেজাল প্যারাসিটামল সিরাপ খেয়ে ২৭ শিশুর মৃত্যু। এরপরও সরকারের টনক নড়েনি। ওষুধ প্রশাসনে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সুযোগ নিয়েই কিছু ওষুধ কোম্পানি ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বাজারজাত করতে পারছে। (আরও…)
জামালপুরে কয়েকশ ভূমিহীন-তেমজুরকে সরকারি খাসজমি থেকে উচ্ছেদ করে তা ভোগ করছে প্রভাবশালীরা। সেখানে ১৮টি বিলের সহস্রাধিক একর খাসজমি দখলের এই মহোৎসব চলছে প্রায় দুই বছর ধরে। নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি খাসজমি ভূমিহীনদের মধ্যে বন্দোবস্ত দেওয়ার বিধান রয়েছে। (আরও…)
গত ২৯ ডিসেম্বর ২০০৯ সাপ্তাহিক ২০০০ ও আমাদের স্কুল প্রকল্প, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের উদ্যোগে রিপোর্টার্স ইউনিটির ভিআইপি লাউঞ্জে ‘সকলের অংশগ্রহণে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাপ্তাহিক ২০০০ সম্পাদক মঈনুল আহসান সাবেরের (আরও…)
যেন এই মৃত্যুর মিছিল কখনও বন্ধ হবে না। শিপইয়ার্ডে জাহাজ কাটার সময় একের পর এক বিস্ফোরণ, ফলাফল শ্রমিকদের মৃত্যু। অথচ জাহাজে কোনও বিস্ফোরক দ্রব্য নেই, জাহাজ কাটার আগে এই মর্মে বিস্ফোরক অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়। সেই সবের তোয়াক্কা করেন না শিপইয়ার্ডের মালিকেরা। (আরও…)

অজগর
১৯৬০ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের গ্রামীণ বন ও বিল-ঝিল-হাওর পারের জঙ্গলে অজগর টিকে ছিল। আমি জীবনের প্রথম অজগরটি দেখি ১৯৬৪ সালে- আমার গ্রামের বিখ্যাত মল্লিকদের বাগানে। শিয়াল পাকড়াও করেছিল ওটা, শিয়ালটি কাঁদছিল। একই বছরে আমাদের বাগানের পাশের কুটোর পালার তলায় পাওয়া যায় এক জোড়া অজগর- ওখানে ডিম ছিল ৩৫টি। বাল্য-কৈশোর-তারুণ্যে মোট ৮ বারে ২৩টি বয়সী অজগর দেখি আমি বাগেরহাট জেলায়। সদ্য ডিম থেকে বেরুনো ২৮টি বাচ্চাকেও দেখেছিলাম আমার গ্রামের পাশের একটি হিন্দুপ্রধান গ্রামের নির্জন জলাভূমির পাশের বাঁশঝাড়ের গোড়ায়- মা-বাবা অজগরও ছিল ওখানে। বাচ্চাগুলো ছিল ২ ফুট করে লম্বা। বাবার হাত ধরে ভয়ে ভয়ে দেখেছিলাম। (আরও…)
সারা দুনিয়ার সবাই এখন ক্যালেন্ডার দেখেই যাবতীয় কাজ করার জন্য দিন-তারিখ ঠিক করে নেয়। ফলে আমরা ক্যালেন্ডারের বাইরে একদিনও কাটাতে পারি না। কিন্তু এমন একটা সময় ছিল, যখন এ সব ক্যালেন্ডারের কোনও মূল্যই ছিল না; ছিল না কোনও প্রয়োজনীয়তা। (আরও…)